ইসলামপুরের ধনতলায় ব্যাবসায়ী খুনে ধৃত মূল অভিযুক্ত

তুষার কান্তি বিশ্বাস, ইসলামপুরঃ দুটি আগ্নেয়অস্ত্র সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল ইসলামপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম যতীনময় চন্দ বিশ্বাস ও মহম্মদ মক্কা। এদের বাড়ি ইসলামপুর থানার শিবনগর কলোনী ও ধনতলা সংলগ্ন রুইয়া এলাকায়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে পুলিশ স্থানীয় শিবনগর থেকে যতীন ময় চন্দ বিশ্বাস নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি ওয়ান সাটার পিস্তল। অন্যদিকে সম্প্রতি ধনতলা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে মোটর বাইক রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসার পর এক দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওই ব্যবসায়ীর। এরপর ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গত ২৩ আগস্ট মহম্মদ সৈয়দ নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর শুক্রবার রাতে স্থানীয় কালনাগিন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি পিস্তল। শনিবার সকালে ওই খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ মক্কাকেও পুলিশ গ্রেফতার করে ধনতলা থেকে। এদিন তাকে ইসলামপুর কোর্টে পাঠানো হয়।

পর পর দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করার পাশাপাশি দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করলো ইসলামপুর থানার পুলিশ।ধৃত দুইজনের নাম যতীন ময় চন্দ বিশ্বাস ও মহম্মদ মক্কা।এদের বাড়ি যথাক্রমে ইসলামপুর থানার শিবনগর কলোনী ও ধনতলা সংলগ্ন রুইয়া এলাকায়।ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি পুলিশ ঘটনার জোর তদন্তে নেমেছে বলে জানিয়েছেন ইসলামপুর থানার আইসি রাজেন ছেত্রী।

ঘটনার বিবরণে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ স্থানীয় শিবনগর থেকে যতীন ময় চন্দ বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তার কাছ থেকে উদ্ধার করেন একটি ওয়ান সাটার পিস্তল।অন্যদিকে সম্প্রতি ধনতলা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে মোটর বাইক রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসার পর এক দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওই ব্যবসায়ীর।এরপর ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গত ২৩ আগস্ট মহম্মদ সৈয়দ নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে।তাকে পুলিসি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর শুক্রবার রাতে স্থানীয় কালনাগিন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি পিস্তল।এমনকি শনিবার সকালে ওই খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ মক্কাকেও পুলিশ গ্রেফতার করে ধনতলা থেকে।এদিন তাকে ইসলামপুর কোর্টে পাঠানো হয়।