সারাদিনের সেরা খবর – ০২ আগষ্ট ২০১৮

সারাদিনের বাছাই করা খবর
প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট ভিসিট করুন প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি পাবার জন্য।

কাবুলে ভারতীয় সহ তিন জনকে অপহরণ করে খুন

ওয়েব ডেস্ক, ২ আগস্টঃ কাবুলে এক ভারতীয় সহ তিন জনকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তাঁরা সকলেই কাবুলের সোডেক্সোতে একটি আন্তর্জাতিক ফুড কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম সুত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনই ওই ফুড কম্পানিতে কুকের কাজ করতেন। ওই কম্পানিটি ছিল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুড ও ক্যাটারিং সার্ভিসেস কম্পানি। ওই ঘটনায় কাবুল পুলিশ জানিয়েছে, “একজন ভারতীয়, একজন মালয়েশিয়ান ও একজন মেসিডোনিয়ান ব্যক্তিকে পুল-এ-চরকি থেকে অপহরণ করা হয়। পরে মুসাহি জেলায় একটি গাড়ির মধ্যে থেকে তাদের তিনজনের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার হয়”।

২৪ ঘণ্টা মায়ের মৃতদেহ আগলে ছেলে, সমব্যাথীর টাকায় শেষকৃত্য

শ্যাম বিশ্বাস, বসিরহাটঃ অর্থের অভাবে মৃত মায়ের দেহ সৎকার করতে পারছিলেন না ছেলে। চব্বিশ ঘণ্টা মৃতদেহ আগলে রেখে সমব্যাথি প্রকল্পের টাকা পেয়ে সেই টাকা দিয়ে মায়ের শেষকৃত করলেন দুই ছেলে। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট ১নং ব্লকের ইটিন্ডা পানিতর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাকুয়াদহ গ্রামের। সংসারে অভাব ছিল নিত্য সঙ্গী।

কিন্তু বুধবার ৯৫ ছুঁইছুঁই বৃদ্ধা মা সুখবাসি মণ্ডল বাধ্যক্য জনিত কারনে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর কিভাবে মায়ের শেষকৃত্য কিভাবে করবেন তা ভেবে পাচ্ছিলেন না ছেলে মনোরঞ্জন মন্ডল ও চিত্তরঞ্জন মন্ডল। অনেকের কাছে হাত পাতলেও কেউ এগিয়ে আসেন নি সেভাবে। ২৪ ঘণ্টা ধরে মৃত মায়ের দেহ আগলে রেখে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের সমব্যাথি প্রকল্পের দুই হাজার টাকা পান। সেই টাকা দিয়ে মায়ের শেষকৃত্য করলেন দুই ছেলে। ছেলে মনোরঞ্জন মণ্ডল বলেন, টাকা না থাকায় মায়ের শেষ কৃত্য করতে পারছিলাম না। সরকারের সম ব্যাথি প্রকল্পের কথা জানতে পেরে গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় দুই হাজার টাকা পেয়ে মায়ের সৎকার করি।

বৃষ্টি কম, জলের অভাব মেটাতে স্বেচ্ছাশ্রমে সেচ নালা সংস্কার করল কৃষকরা

শুভজিৎ পন্ডিত, কামাখ্যাগুড়ি(আলিপুরদুয়ার): প্রয়োজনের তুলনায় বৃষ্টি কম। জমিতে জল নেই। জলের অভাবে বর্ষাকালিন চাষাবাদ নিয়ে সমস্যায় কৃষকেরা। বর্ষার এক মাস পেরিয়ে গেলেও জেলার এখন বহু জমি ফাঁকা। চাষাবাদ নেই। এই অবস্থার কুমারগ্রাম ব্লকের খোয়ারডাঙ্গা এলাকার কৃষকেরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে সেচনালা সংস্কারে এগিয়ে এলেন। গত পাঁচ দিন ধরে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বুধবার সেচ নালা দিয়ে জল গড়ালো। সেচ নালা দিয়ে জল গড়াতেই খুশিতে মেতে ওঠেন কৃষকরা। এই সেচ নালার জলে উপকৃত হবে খোয়ারডাঙ্গা ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উত্তর নারারথলি, ছোটো দলদলি, গচিমারি তিনটি মৌজার কয়েক হাজার কৃষক।

জানা গিয়েছে, রায়ডাক ২ নদীর এক শাখা ঝোড়া থেকে ক্যাশশালী সেচ নালা এক দশক আগে তৈরী হয়। বর্ষায় ঝোড়ার ও সেচনালার মুখ ভেঙ্গে পরে। এতে ঝোড়ার জল আর সেচ দিয়ে বইতো না। বেশ কয়েক বছর যাবৎ বেহাল অবস্থায় পরে ছিল সেচ নালাটি। কিন্তু এবারে বৃষ্টির পরিমান কম হওয়াতে বর্ষা কালীন চাষাবাদ নিয়ে সমস্যায় পরে খোয়ারডাঙ্গার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষক। চাষাবাদ করার লক্ষ্যে এলাকার কৃষকদের নিজ উদ্যাগে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে গত পাচ দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে ঝোড়ায় বাঁশ, কাঠের খুটি, মাটির বস্তা চাপা দিয়ে বাঁধ তৈরী করে। বাঁধ তৈরী হতেই ঝোড়ায় জল সেচ নালা দিয়ে বইতে শুরু করে। সেচ নালায় জল দেখে আনন্দে মেতে উঠে ওই এলাকার কৃষকরা।

ছোটো দলদলি, গচিমারী এলাকার কৃষক ছোবাহান মিঞা, রাহুল মিঞা, নির্মল অধিকারি, দারেন নার্জিনারী, আজিজার মিঞা প্রফুল্ল অধিকারী, সুনিল বসুমাতা, অসনি বিশ্বাস জানান, বৃষ্টির অভাবে বর্ষা কালীন চাষাবাদ করা যাচ্ছিল না। ফাঁকা পড়ে রয়েছে জমি। বীজতোলাও নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম এই অবস্থায় জমিতে ধান চাষ করতে না পারলে ফলন ভালো হবে না। তাই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে এবছর চাষাবাদ করা সম্ভব হবে কিনা অনুভব করে করে প্রায় তিনটি মৌজার কৃষকরা সেচ নালা সংস্কারে এগিয়ে আসেন। স্বেচ্ছাশ্রম সহ আর্থিক সহযোগিতা করে সেচনালা সংস্কার করলেন তারা। কৃষকদের এই উদোগকে স্বাগত জানিয়েছেন খোয়াডাঙ্গা ২ নং উপ প্রধান জেমস বরগাঁও, তৃণমূল কংগ্রেস কুমারগ্রাম ব্লক সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি গোলাপ হোসেন।

কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিপ্লব নার্জিনারী জানান, সেচ নালা সংস্কার করার বিষয়টি ধরাই ছিল। সেচ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে স্থায়ী সেচনালা তৈরী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে জানান তিনি ।

অসমে তৃণমূল সাংসদদের নিগ্রহের ঘটনায় গর্জে উঠলেন মমতা

ওয়েব ডেস্ক, ২ আগস্টঃ অসমে তৃণমূল সাংসদদের নিগ্রহের ঘটনায় গর্জে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার পর কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকরণ ইস্যুতে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে ও সেরাজ্যের মানুষের পাশে দাঁড়াতে তৃণমূল সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের ওই প্রতিনিধি দল অসম বিমানবন্দরে নামতেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। সেখানেই ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। তৃণমূল সাংসদদের মারধর ও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। যার প্রেক্ষিতেই কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে গর্জে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা জানান, দেশে সুপার এমার্জেন্সি চলছে। যদি সত্যিই অসমের পরিবেশ শান্ত থাকে তাহলে কেন ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে? তৃণমূলের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অসমে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরেই অসভ্যতা করা হয়েছে। এঁরা সকলেই বিশিষ্ট মানুষ, জন প্রতিনিধি। মহিলাদেরও হেনস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, বিজেপি ডিপ্রেশনে ভুগছে। ওরা এক্সপোজড। টাকা ও পেশিশক্তির জোর দেখাচ্ছে। ওঁদের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপির মুখোশ খুলে গিয়েছে বলেও এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন।

এরাজ্যে এনআরসি চালু করা নিয়ে বিজেপি দাবি জানিয়েছে বলে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে বেজায় চটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কারা এঁরা? এঁদের এরাজ্যে কেউ চেনে না। প্রস্তাব নিয়ে এলে দেখে নেবেন বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ছাত্রীদের সাথে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগ, স্কুল গাড়ির চালক আটক কোচবিহারে

চন্দন দাস, কোচবিহারঃ শহরের একটি নামি স্কুলের ছোট ছোট ছাত্রীদের সাথে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার কোচবিহার শহর লাগোয়া খাগড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বুড়িরপাট এলাকায় ওই গাড়ির চালক ছাত্রীদের নামাতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে আটকে রাখেন। ওই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। চালককে ধরে মারধোরও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে কোচবিহার কোতোয়ালী থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়ির চালকের নাম রাজেশ হোসেন। তাঁর বাড়ি হরিণচওড়া এলাকায়। সে তিন বছর ধরে ওই গাড়িতে করে ছাত্রীদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও আনার কাজ করে। এর আগেও এক ছাত্রী অভিযোগ করলে তাঁকে ওই গাড়ির মালিক নিজেই পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন নি, জানান নি স্কুল কর্তৃপক্ষকেও। এদিন গাড়ির মালিক বলেন, “আমাকে এর আগেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ভেবেছিলাম কোন ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এত বছর ধরে গাড়ি চালাচ্ছে, আচমকা ছেড়ে দিয়ে স্কুল গাড়ি চালানোর মত চালক পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়।” বুড়ির পাটের বাসিন্দা তথা অবিভাবক দীপক অধিকারী অভিযোগ করে বলেন, “কোচবিহারের শহরের সুনীতি একাডেমী স্কুলের এই এলাকার ছাত্রীরা একটি ম্যাজিক গাড়িতে একসাথে যাতায়াত করে থাকে। সম্প্রতি এক ছাত্রীকে বাড়িতে মনমরা হয়ে পড়ে থাকতে দেখে তার মা জিজ্ঞাসা করলে ওই ঘটনা জানতে পারে। এদিন আটক করার পর অন্য ছাত্রীরাও ওই ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তাই আমরা নিরুপায় হয়ে গাড়ির চালককে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।”

কোচবিহার শহর ও লাগোয়া এলাকায় বেসরকারি স্কুল গুলোর নিজস্ব যানবাহনে ছাত্রছাত্রীদের আনা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি সরকারি স্কুল গুলোতেও তেমন ব্যবস্থা না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই অভিভাবকরা ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ছোট ছোট যানবাহন ভাড়া করে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু এর আগে এমন ভাবে কোন স্কুল গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অশালীন ব্যবহার করার কোন বড় রকমের অভিযোগ পাওয়া যায় নি। এদিনের ঘটনা অনেক অবিভাবককে উদ্বেগে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মোটর বাইক চোর সন্দেহে ১ যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে পেটাল উত্তেজিত জনতা

প্রণব মণ্ডল, মালদাঃ মোটর বাইক চোর সন্দেহে এক যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে মার উত্তেজিত জনতার। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকালে ইংরেজবাজার থানার বিএস রোড এলাকায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনার খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। আহত অবস্থায় ওই যুবককে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম জিয়াউল শেখ (৩০)। তার বাড়ি ফরাক্কা এলাকায়। ওই যুবক বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএস রোড এলাকায় একটি গাড়ি চুরি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। এরপর এলাকার লোকেদের নজরে পড়ে বিষয়টি। হাতেনাতে ধরে ফেলে ওই যুবককে। উত্তেজিত জনতা বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর দেয় হয় ওই যুবককে। তবে তার সাথে আরও কেউ রয়েছে কিনা তা তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।

উত্তরপ্রদেশে মৃত শ্রমিকদের দেহ আসলো বাড়িতে, শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা

সত্যেন মহন্ত, রায়গঞ্জঃ উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে কাজে গিয়ে মৃত ছয় শ্রমিকের কফিন বন্দী দেহ ফিরল বাড়িতে। বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার ও রায়গঞ্জে মৃত ওই শ্রমিকদের দেহ বাড়িতে পৌছাতেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন আত্বীয় পরিজনেরা। শোকার ছায়া গোটা এলাকায়। ইটাহার ও রাজগঞ্জের ছয় শ্রমিক উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে মাটির নিচে কেবলের কাজ করতে যায়। সেখানে মৃত হয় নাজিমুল হক, নাজিম আলি, হাসেন আলি, নাজিমুদ্দিন আহমেদ, কেসর আলি ও মহিরুল হকের।

এরপর রাজ্য সরকারের তৎপরতায় উত্তর প্রদেশ সরকারের সাথে যোগাযোগ করে মৃত শ্রমিকেদের দেহ অত্যাধুনিক ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স করে বুধবার রাতে রায়গঞ্জে নিয়ে আসা হয়। বৃহস্পতিবার মৃতদেহ গুলি তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেয় জেলা প্রশাসন। শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্র মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি পূর্নেন্দু দে, রায়গঞ্জ পৌরপতি সন্দীপ বিশ্বাস, বিউটি বেগম সহ অনানরা। মন্ত্রী পরিবার গুলির জন্য দুই লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী গোলাম রব্বানী জানান, কিছু দিন আগে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৬ শ্রমিক উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে বাইপাসের ধারে একটি টেলিকম কম্পানির কেবল পাতার কাজ চলছিল। গত একমাস ধরে সেই কাজেই যুক্ত ছিলেন উত্তর দিনাজপুরের ওই শ্রমিকরা। গতকাল মাটির নিচে গর্তে চাপা পড়ে যান তাঁরা। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে উদ্ধারকাজ চালানোর পর ছয় শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাকি দু’জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। দেহ গুলি আজ তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল। সরকারি ভাবে দুই লক্ষ টাকা মৃতার পরিবারদের আর্থিক সাহাজ্য করা হবে।

পদত্যাগ করলেন অসমের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপেন পাঠক

ওয়েব ডেস্ক, ২ আগস্টঃ পদত্যাগ করলেন অসমের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপেন পাঠক। এই নিয়ে তিনজন তৃণমূল নেতা পদ ছাড়লেন। তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে খবর। দিগন্ত সইয়া ও প্রদীপ পাচোনিও দল ছেড়েছেন। এনআরসি ইশু নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য আসামে ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। যার জন্য তাঁকে দায়ি করা হতে পারে বলে এদিন পদত্যাগ করেন তিনি।

এদিন দীপেন পাঠক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন অসম থেকে বাঙালি উৎখাত করতেই এনআরসি আনা হয়েছে। তাঁর সেই মন্তব্যের সঙ্গে আমি একমত নই। এই ধরনের মন্তব্য এখানে ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। যার জন্য আমাকে দায়ি করা হত। তাই আমি পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।”

শিলচর থেকে ৪০ কিমি দূরে হোটেলে রাখা হবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে

ওয়েব ডেস্ক, ২ আগস্টঃ শিলচর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে একটি হোটেলে রাখা হবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে।জানা গিয়েছে, যে হোটেলে তাঁদের রাখা হবে সেখানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাঁদের সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হবে না।

অসম পুলিশের ডিজিপি কুলাধর সৈকিয়া জানিয়েছেন, “অশান্তির আশঙ্কা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের আটকে দেওয়া হয়েছে।আমরা চাই না কোনও ভাবে রাজ্যের পরিস্থিতির অবনতি ঘটুক। আর সেজন্যে বিমানবন্দরের বাইরে একদিকে যেমন নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে অন্যদিকে তৃণমূলের প্রতিনিধিদেরও সেখানে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করেন প্রতিনিধি দল।যার কারনে তাঁদের শুধুমাত্র আটকানো হয়েছিল।

থানায় ঢুকে পুলিশকর্মীদের পেটাল স্থানীয় বাসিন্দারা

ওয়েব ডেস্ক, ২ আগস্টঃ থানায় ঢুকে পুলিশকর্মীদের পেটানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধে ছয়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের নেলোর জেলার রাপুরু পুলিশ স্টেশনে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন সাব ইনস্পেক্টর সহ তিনজন কনস্টেবল। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই থানার এসআই লক্ষ্মণ রাও রবি নামে একজনের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় চার জন যুবককে থানায় ডেকে পাঠায়। অভিযোগ, এরপর ওই যুবকদের থানায় বেধড়ক মারধর করা হয়। ওই বিষয়টি জানতে পেরে ধৃতদের আত্মীয় ও স্থানীয় কিছু লোকজন থানায় গিয়ে থানার এসআই লক্ষ্মণ রাওকে মারধর করে।বিষয়টি দেখতে পেয়ে ওই পুলিশ আধিকারিককে বাঁচাতে যান কর্তব্যরত তিন কনস্টেবল।অভিযোগ তাঁদেরও মারধর করে তাঁরা। পাশাপাশি পুরো ঘটনার ছবি মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন তাঁরা।

ওই প্রসঙ্গে ডিএসপি রামবাবু বলেন, সাব ইনস্পেক্টর লক্ষ্মণ রাওয়ের পাশাপাশি আরও তিনজন কনস্টেবলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। থানায় হামলা চালিয়ে যারা পুলিশকর্মীদের মারধর করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।