অসমে হেনস্থার প্রতিবাদে তুফানগঞ্জে ধিক্কার মিছিল করল তৃনমূল কংগ্রেস

কোচবিহার, ০৩ আগস্টঃ আসামে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক, সাংসদ প্রতিনিধি দলের উপর (হেনস্তা) অপমানের প্রতিবাদে জেলার ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করল কোচবিহারের দেওচড়াই অঞ্চল তৃনমূল কংগ্রেস। এদিনের ওই ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল দেওচড়াই বাজার এলাকায়। সেখানে মিছিল করে একটি দেওচড়াই বাজারে পথসভার আয়োজন করা হয়। এদিন ওই ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল পা মেলান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর পুত্র তথা নব নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য পঙ্কজ ঘোষ, দেওচড়াই অঞ্চল তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি ফারুক মণ্ডল, যুব তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন বর্মণ, সুশীল বর্মণ সহ তৃনমূল কংগ্রেসের অন্যান্য কর্মী সমর্থকরা।

এদিন ওই পথ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর পুত্র পঙ্কজ ঘোষ বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালের ফ্লাইটে আসামের শিলচর বিমানবন্দরে পৌছান তৃণমূলে ৮ জনের প্রতিনিধি দল। সেখানে ওই প্রতিনিধিদেরকে বিমান বন্দরে আটকে মারধর ও হেনস্থা করা হয়। তার প্রতিবাদে আমরা তৃনমূল কংগ্রেসে পক্ষ থেকে এই ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করছি।”

সারাদিনের সেরা খবর – ০৩ আগষ্ট ২০১৮

সারাদিনের বাছাই করা খবর
প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট ভিসিট করুন প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি পাবার জন্য।

পথ দুর্ঘটনা ঘিরে ধুন্ধুমার শামুকতলায়, ভাঙল পুলিশের গাড়ি

শুভজিত পণ্ডিত, শামুকতলাঃ বাইকে ট্রাকের ধাক্কায় আহত হলেন দুই বাইক আরোহী। আহতদের উদ্ধার করে তাঁদের আলিপুরদুয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে শামুকতলার ধারসি চৌপথি এলাকায় ৩১ নং জাতীয় সড়কে। ঘটনার পর স্থানীয় উত্তেজিত বাসিন্দারা পথ অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুপরে বাইকে করে দুই যুবক যাওয়ার সময় ধারসি চৌপথি এলাকায় একটি পণ্যবাহী ট্রাক তাঁদের ধাক্কা মারে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর স্থানীয় উত্তেজিত জনতা জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ অবরোধ তুলতে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানিয়রা।

স্থানিয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর পুলিশ আসলে তারা মদ্যপ ছিল। পুলিশের গাড়িতে মদের বোতল ছিল বলে অভিযোগ। এরপর উত্তেজিত জনতা পুলিশের জিপটি ভাঙচুর করে। ওই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পড়ে শামুকতলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ট্রাকের চালককে আটক করেছে পুলিশ।

“তোমার ভাইপো যদি খুন হয়ে যায় তখন কী হবে দিদি?”- মন্তব্য বীরভূমের বিজেপি নেতার

বীরভূম, ৩ আগস্টঃ “তোমার ভাইপো যদি খুন হয়ে যায় তখন কী হবে দিদি?” – এমনই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির বীরভূম জেলার প্রাক্তন সভাপতি নির্মলচন্দ্র মণ্ডল। শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপার কুণাল আগরওয়ালের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসে এমনি মন্তব্য করেন ওই বিজেপি নেতা। তাঁর ওই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য জুরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত ২৯ জুলাই খয়রাশোলের হজরতপুরে বিজেপির কিষাণ মোর্চার সভা চলাকালীন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষের নেতৃত্বে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় বিজেপির তরফে কাঁকরতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু পুলিশ এখনও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ তুলে আজ জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি নির্মলচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “তোমার ভাইপো যদি খুন হয়ে যায় তখন কী হবে দিদি?”।

অসম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের, ভাইরাল ভিডিও

ওয়েব ডেস্ক, ৩ আগস্টঃ “নাগরিকত্বের বিষয়টি অসমে বড় কোনও ব্যাপার নয়। তবে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এ ব্যাপারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন”। এদিন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করতে নাগপুরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনই মন্তব্য করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তাঁর ওই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ও অমিত শাহ-এর কানেও গিয়েছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও বিপ্লববাবু দলের কাছে ওই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি জানান, এটা বলতে চাননি। বরং তাঁর বক্তব্য ছিল, নাগরিকত্বের বিষয়ে ত্রিপুরাতে কোনও বিতর্ক নেই। সেখানে সকলেরই কাগজপত্র রয়েছে। কোনও সমস্যা নেই অসমেও। আর অসমের মুখ্যমন্ত্রী খুবই যোগ্য নেতা। তবে সে রাজ্যে অযথা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে কিছু লোক। তবে বিপ্লববাবু ত্রিপুরায় নাগরিক পঞ্জির দরকার নেই বলে দাবি করলেও তাঁরই সরকারের জনজাতি উন্নয়নমন্ত্রী তথা আইপিএফটি-র সাধারণ সম্পাদক মেবারকুমার জামাতিয়া বলেছেন, ‘‘ত্রিপুরাতেও একটি নাগরিক পঞ্জির দরকার।’’ এই সংঘাতে রাজ্য সরকারের ভিতর অস্বস্তিতে শুরু হয়েছে। ত্রিপুরার আর এক জনজাতি দল আইএনপিটিও নাগরিক পঞ্জির দাবি তুলেছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বেশ কিছু মন্তব্য নিয়ে আগরতলায় বিতর্ক চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতির ব্যাখ্যা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন দলের মুখপাত্র। শোনা যাচ্ছে, বিপ্লবকে মুখ্যমন্ত্রী করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন যিনি, সেই আরএসএস নেতা সুনীল দেওধরও নাকি বিরক্ত।

মুন্নার বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ, জাহিরুলকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ড

চন্দন দাস, কোচবিহারঃ তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠল কোচবিহারে ছাত্র নেতা মাজিদ আনসারি খুনে অভিযুক্ত মহম্মদ কলিম ওরফে মুন্না খানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ফের তাঁকে কোচবিহার সিজিএম কোর্টের বিচারক অনন্ত কুমার বর্ধনের এজলাসে তোলা হয়। কিন্তু ৭ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার সময় তদন্তে কোন সহযোগিতা করে নি বলে জানিয়ে ওই মামলার সরকারি আইনজীবী ললিত কুমার বর্মণ ফের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেন। অন্যদিকে এদিন মুন্না খানের জামিনের জন্য আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারক তাঁকে ১৩ দিনের জন্য জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওই মামলায় এদিন অসম সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া আরেক অভিযুক্ত জাহিরুল হককে ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন করে। কিন্তু বিচারক তাঁকে এক সপ্তাহের জন্য পুলিশ হেফাজত দিয়েছেন।

সরকারি আইনজীবী ললিত কুমার বর্মণ বলেন , “ এক সপ্তাহ পুলিশ হেফাজতে থেকে তদন্তে কোন সহযোগিতা করেন নি মহম্মদ কলিম ওরফে মুন্না খান। তাই আবার পুলিশ হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ১৩ দিনের জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে। সহযোগিতা না করার পরেও পুলিশ আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সমর্থ হয়েছে। তাঁর এক সপ্তাহের পুলিশ হেফাজত হয়েছে।”

১৩ জুলাই কোচবিহার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তথা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কলেজ ইউনিট কমিটির আহ্বায়ক মাজিদ আনসারি গুলিবিদ্ধ হন। ১১ দিন ধরে শিলিগুড়ির একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় প্রথমে অভিযুক্ত মুন্না খানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হলে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজত হয়। এরপরে এদিন মুন্না খানকে আদালতে তোলার আগে আরও এক অভিযুক্ত জাহিরুল হককে অসম সীমান্ত লাগোয়া বক্সিরহাট থানার শিলঘাগরি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওই অভিযুক্তের বাড়ি কোতোয়ালী থানার পানিশালা এলাকায়। যদিও ওই ঘটনায় এখনও আরও বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত অধরা রয়েছে। পুলিশ তাঁদের ধরতে হন্যে হয়ে খুঁজছে বলে জানা গিয়েছে।

আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও অভিযুক্ত অধরা, পুলিশের দ্বারস্থ নির্যাতিতা যুবতী

তুষার বিশ্বাস, উত্তর দিনাজপুর: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের পর বিয়ে না করার অভিযোগে আদালতে দ্বারস্থ হলেন নির্যাতিতা যুবতী। উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়া থানার শিকারপুর গ্রামের ঘটনা। এই ঘটনায় আদালতের তরফে পুলিশকে ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অভিযুক্ত এখনও অধরা। পুলিশের দ্বারস্থ নির্যাতিতা।

জানাগিয়েছে, গোয়ালপোখর থানার বাগডোগরা গ্রামের আনোয়ার আলমের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল চাকুলিয়া থানার শিকারপুর গ্রামের এক যুবতীর সঙ্গে। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই যুবতীর সঙ্গে একধিকবার সহবাস করে আনোয়ার। যুবতী চার মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়লে আনোয়ার বিয়ে করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে গ্রামে সালিশি সভাও বসে। সেখানে আনবরকে বিয়ে করার বিধান দিলেও গ্রামের মাতব্বরদের কথা পাত্তা না দিয়ে সে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

এরপর বাধ্য হয়েই অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আদালতে শরণাপন্ন হয় ওই যুবতী ও তার মা। আদালতের তরফে গোয়ালপাখর থানার পুলিশকে ধর্ষন, বিশ্বাসভঙ্গ সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশের পরও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় অত্যাচারি যুবতী এবং তার মা গোয়ালপোখর থানার পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হন। গোয়ালপোখর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,পুলিশের কাছে আদালতের নির্দেশ আসা মাত্রই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা পলাতক। তাই পুলিশ কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারে নি। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান জারি আছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জামাইের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন শ্বশুর, পলাতক জামাই

সুরজিত দাস, নদিয়া: জামাইের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন শ্বশুর। ঘটনার পর থেকে পলাতক জামাই। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হাসখালী থানার ঘাগারচড়ে। মৃতের নাম অমর বিশ্বাস (৪৫)। স্থানীয় এবং পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, দুই বছর আগে হাসখালীর ঘাগারচড়ের বাসিন্দা অমর বিশ্বাসের মেয়ে পুজার সাথে বিয়ে হয় প্রকাশ মন্ডলের। প্রকাশ মাঝে মধ্যেই বাইরে কাজ করতে যেত। সপ্তাহ দুয়েক পর সে বাড়ি আসে। এরপর সে আর কাজে বাইরে যাননি সে।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ, প্রকাশ প্রতিদিন নেশা করে বাড়ী এসে স্ত্রী পুজাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতো। স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাধ্য হয়ে বছর খানেক আগে বাপের বাড়ি চলে আসে পূজা। এরপর অন্য এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় তার। এই খবর প্রকাশ জানতে পেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিল সে। শুক্রবার সকালে প্রকাশ তার স্ত্রীকে অন্য ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়া নিয়ে বচসা বাঁধে। সে সময় হাসুয়া দিয়ে কোপ মারে শ্বশুর অমর বিশ্বাসকে। হাসুয়ার কোপে রক্তাক্ত হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে অমরবাবু। পরিবারের লোকজনের চিৎকারে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসককেরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত জামাই প্রকাশ মন্ডল। পুলিশ অভিযুক্ত জামাইয়ের খোঁজে তল্লাশী শুরু করেছে।

পরিত্যক্ত ব্যাগকে ঘিরে বোমাতঙ্ক, চাঞ্চল্য

প্রণব মণ্ডল, মালদাঃ পরিত্যক্ত ব্যাগকে ঘিরে বোমাতঙ্ক মালদায়। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা শহরের রামকৃষ্ণ পল্লী এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। ওই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াডের দল ছুটে আসে। সেখান থেকে পরিত্যক্ত ওই ব্যাগটি কে উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই ব্যগটি পড়ে রয়েছে। বিকাল হয়ে গেলেও ব্যাগের মালিকের দেখা মেলেনি। এই নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ বম্ব স্কোয়াডের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা ব্যগটিকে ঘিরে যন্ত্র লাগিয়ে দেয়। যন্ত্রের শব্দে তারা বুঝতে পারেন ব্যাগের ভিতরে মেটাল কিছু রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে রামকৃষ্ণ পল্লী এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় ঘটনাস্থলে। স্বাধীনতা দিবসের আগে এমন ঘটনা মোটেই হাল্কা ভাবে নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এনআরসি ইশু নিয়ে রাজ্য জুড়ে ২ দিন কালা দিবসের ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস

কলকাতা, ৩ আগস্টঃ অসমের এনআরসি ইশু নিয়ে শনি ও রবিবার সারা রাজ্য জুড়ে কালা দিবসের ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা ঘোষণা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন কালা দিবসে দলীয় কর্মীদের স্লোগানও ঠিক করে দেন তিনি। “দানবিক সরকার আর নেই দরকার”।

এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে পার্থবাবু বলেন, “অসমের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সংবিধানে নাগরিকদের যে অধিকার আছে তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। মানবিক দিক থেকে কোনও কিছু দেখা হচ্ছে না। অমর্যাদাকর কাজ করেছে। সেই কাজ যদি কেউ দেখতে যায় তাহলে জনপ্রতিনিধিদের উপর তাঁরা আক্রোশ দেখাচ্ছে। তাঁদের থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা ও সত্য না জানতে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর প্রতিবাদে আমাদের কালাদিবস।”

প্রসঙ্গত, অসমে নাগরিকপঞ্জি থেকে নাম বাদ গেছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের। এরই প্রতিবাদে গতকাল অসমে প্রতিনিধি দল পাঠায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল ওই ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল পৌঁছায় শিলচর বিমানবন্দর। কিন্তু সেখানে প্রতিনিধি দলের সদস্যদের হেনস্থার অভিযোগ ওঠে অসম পুলিশের বিরুদ্ধে। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি কাউকেই। এরই প্রতিবাদে আগামী দু’দিন কালাদিবস পালনের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আলমারি থেকে উদ্ধার যুবতীর পচাগলা দেহ

ওয়েব ডেস্ক, ৩ আগস্টঃ আলমারি থেকে এক যুবতীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পূর্ব দিল্লির গোকলপুরি এলাকায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছরায় এলাকায়।
জানা গিয়েছে, এক বিবাহিত ব্যক্তির সঙ্গে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এনিয়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল ওই যুবতী।

ওই ব্যক্তির দাবি, এদিন ওই যুবতীর বাড়িতে ঢোকার পর পচা দুর্গন্ধ পান তিনি। এরপর ঘড়ের আলমারি খুলতেই যুবতীর দেহ দেখতে পান তিনি। ওই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ওই ঘটনায় যুবতীর প্রেমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ, চাঞ্চল্য বাদুরিয়ায়

শ্যাম বিশ্বাস, বসিরহাটঃ পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার হল এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ। শুক্রবার দুপুরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাদুড়িয়া থানার সলুয়া গ্রামে ওই দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে এলাকার কিছু লোক পাট কেটে জলে ভিজানোর কাজ করছিল। সেসময় তারা দেখেন পাটক্ষেতের মধ্যেই টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমা জলে একটি মৃত দেহ ভাসতে দেখেন। এরপর পুলিসে খবর দেন স্থানিয়রা। বাদুড়িয়া থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তদের জন্য পাঠিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ ।