সারাদিনের সেরা খবর – ০৮ আগষ্ট ২০১৮

সারাদিনের বাছাই করা খবর
প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট ভিসিট করুন প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি পাবার জন্য।

বিয়ে করেও ভরণ পোষণ না দেওয়ার অভিযোগ এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে, চাঞ্চল্য দিনহাটায়

দিনহাটা, ৮ আগস্টঃ বিবাহিত মহিলাকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ভরন পোষণ বন্ধ করে দেওয়ায় দিনহাটার এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেন এক মহিলা। অভিযোগকারী ওই মহিলার নাম সাবিত্রী দাস রায়। বুধবার দিনহাটা থানা সংলগ্ন পুলিশ কোয়াটারের সামনে অভিযুক্ত পুলিশের এএসআই এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান তিনি। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়ায় দিনহাটায়। ওই মহিলার অভিযোগ, তিনি তাদের সাংসারিক জীবনের ঘটনা জেলা পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে দিনহাটার এসডিপিও , দিনহাটা থানার আইসি সহ অন্যান্যদেরকে জানান বলে উল্লেখ করেন। ওই মহিলা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে তুফানগঞ্জ থানায় এএসআই হিসাবে কর্মরত রয়েছেন ওই পুলিশ কর্মী। তিনি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগে করে বলেন ২০০৮ সালে তার দেওরের বিরুদ্ধে বধু নির্যাতনের একটি মামলা হয়। দিনহাটা-২ ব্লকের লাঙ্গুলিয়া গ্রামে সেই সময় ওই মামলার আই ও ছিলেন পুলিশের দিনহাটা থানার এএসআই জীবেন রায় । তিনি ওই কেসের সূত্রে বিভিন্ন সময় তাদের বাড়িতে যেতেন।

ওই মহিলা বলেন, ধীরে ধীরে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই ঘটনায় মহিলার স্বামী নিবারন দাস ও তার ছেলে মেয়েরা প্রতিবাদ করলে জীবেন রায় তাদের ভরন পোষণ দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেয় । এরপর তার সাথে সংসার গড়ে উঠে তার। ২০১০ সাল নাগাদ বানেশ্বরের মন্দিরে নিয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকে তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়। সব রকম খরচ বহন করতে থাকেন। গত কয়েক মাস ধরে কোন খরচ না দেওয়ায় বর্তমানে তিনি ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। অভিযুক্ত ওই পুলিশ অফিসার জীবেন রায় বলেন, ওই মহিলা প্রায়ই তার বাড়িতে এসে টাকা ডিমান্ড করে। আমার শিশুকে মারতে চায়। ওই মহিলার ভয়ে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে পারছি না। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দিনহাটার এসডিপিও উমেশ জি গনপত বলেন, অভিযোগ নিয়ে ডিপার্টমেন্টাল তদন্ত শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী নামার আগে পরিত্যক্ত ব্যাগ ঘিরে বোমাতঙ্ক দমদম বিমানবন্দরে

কলকাতা, ৮ আগস্টঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার ঠিক আগেই বোমাতঙ্ক ছড়াল দমদম বিমানবন্দরে। বুধবার বেলা সাড়ে তিনটা নাগাদ বিমানে চেন্নাই থেকে কলকাতা ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী। তার কিছুক্ষণ আগে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার ১-এ গেটের কাছে একটি বড় কালো ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ ও বম্বর স্কোয়াড । যদিও  তবে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

সিআইএসএফ-র আধিকারিকরা মনে করছেন, ভুলবশত কেউ ওই ব্যাগ ফেলে গিয়ে থাকতে পারেন। তবে কে বা কারা ওই ব্যাগটি ফেলে রেখে গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

লক্ষাধিক টাকার গয়না ফিরিয়ে দিয়ে মহত্ত্বের পরিচয় কামাখ্যাগুড়ির কার্তিকের

শুভজিৎ পন্ডিত, কামাখ্যাগুড়িঃ লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না ফিরিয়ে দিয়ে মহত্ত্বের পরিচয় দিলেন কামাখ্যাগুড়ির বাসিন্দা কার্তিক বড়ুয়া। তিনি পেশায় একজন ড্রাইভার। জানাগিয়েছে, কুমারগ্রাম ব্লকের বারবিশার বাসিন্দা স্বদেশ রায়ের স্ত্রী ২০ কুড়ি দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে কামখ্যাগুড়িতে বাপের বাড়ি আসার পথে সোনার গহনা সহ একটি ব্যাগ খোয়ান। যার বাজার মুল্য প্রায় লক্ষাধিক। তার স্বামী স্বদেশ রায় কামাখ্যাগুড়ি ফাড়িঁর পুলিশকে মৌখিক ভাবে বিষয়টি জানান। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে আজ জানতে পারে কর্তিক বড়ুয়া নামে এক ব্যক্তি সোনার গয়না গুলো কামাখ্যাগুড়ি বাস স্টান্ড এলাকায় কুড়িয়ে পেয়েছে। তারপর ওই ব্যক্তি কামাখ্যাগুড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে ডাকা হয়। এরপর কার্তিক বাড়ুয়া বারবিশার বাসিন্দা স্বদেশ রায়ের হাতে গয়না গুলো তুলে দেয়। এদিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন কামাখ্যাগুড়ির ফাঁড়ির ওসি এ,কে আজাদ সরকার পুলিশ আধিকারিক শীবকুমার ভগৎ। কার্তিক বড়ুয়ার এই মহত্ত্বকে পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানান।

কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির ওসি এ,কে আজাদ সরকার জানান, আমাদের কাছে কিছুদিন আগে অভিযোগ আসে। আমারা তদন্ত শুরু করি জানতে পারি কার্তিক বড়ুয়া নামে ব্যক্তি কামাখ্যাগুড়ি বাস স্টান্ড এলকায় সোনার গয়না সহ ব্যাগটি কুড়িয়ে পায়। আনুমানিক মূল্য লক্ষ টাকা। আজ কামাখ্যাগুড়ি পুলিশ দুইজনকে ডেকে গয়নার মালিকর হাতে তা তুলে দেয়।

নিখোঁজের ১৭ দিন পর দেহ মিলল হাসপাতালের মর্গে, চাঞ্চল্য মালদায়

মালদা, ৮ আগষ্টঃ ১৭ দিন পর নিখোঁজ বাবার মৃতদেহ খুঁজে পেল মেয়ে। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে মিলেছে নিখোঁজ জগদীশ প্রামাণিক। মেয়ের বৈবাহিক জীবনের অশান্তির মীমাংসা করতে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন জগদীশবাবু। তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার দেওনাপুর এলাকায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে কালিয়াচক থানাতে ২১ জুলাই অভিযোগও করেন মেয়ে সুভদ্রা প্রামাণিক। নিখোঁজ থাকার মর্গ থেকে দেহের খোঁজ মেলায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবার।

পরিবার সুত্রে জানা গেছে, জগদীশ প্রমানিক বৈষ্ণবনগর থানার দেওনাপুরের বাসিন্দা। কালিয়াচক থানার আলীনগরের বাসিন্দা মৃত্যুঞ্জয় বারিকের সাথে তাঁর মেয়ে সুভদ্রা প্রামাণিকের বিয়ে দেন নয় মাস আগে। বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে অশান্তি শুরু হয় মেয়ের সংসারে। শারিরীক নির্যাতন করা হয় মেয়েকে। এমন ঘটনা জানতে পেরে মেয়ের শ্বশুড়বাড়িতে সমস্যা সমাধান করার জন্য যান জগদীশবাবু। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। তার পরিবারের অভিযোগ জগদীশবাবুকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের দাবী করছেন তারা। আদালতেও দারস্থ হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ঝাড়গ্রাম জেলা সফরে আসলেন মুখ্যমন্ত্রী

কার্ত্তিক গুহ,ঝাড়গ্রামঃ ঝাড়গ্রাম সফরে আসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপ্যাধ্যায়। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ তিনি ঝাড়গ্রামে পৌঁছান। আগামীকাল আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দিবসের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন মুখ্যমন্ত্রী। ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে ওই অনুষ্ঠান হবে। ঝাড়গ্রামের রাজবাড়ি ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্সে রাত্রিযাপন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সভার প্যান্ডেলের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ২ কোটি টাকা। স্টেডিয়ামের মাঝ বরাবর তিনটি অ্যালুমিনিয়ম হ্যাঙ্গারে প্যান্ডেল করা হয়েছে। মাঝের প্যান্ডেলটি ৭৮ হাজার বর্গফুটের। দু’পাশে ৩৯ হাজার বর্গফুটের দু’টি অ্যালুমিনিয়মের ছাউনি দেওয়া প্যান্ডেল রয়েছে। তবে বর্ষায় মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় যাতে কোনও বিপত্তি না হয়, সেজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পূর্ত দপ্তর। নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে কর্মীরা। প্রতিনিয়ত পুলিস-প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিদর্শন করছেন অনুষ্ঠান স্থল। স্টেডিয়ামের মধ্যে ও বাইরে প্যান্ডেলে ৮০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এছাড়াও কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশনের মাঠে একটি জায়েন্ট স্ক্রিন থাকবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

দেড় মাস বন্ধ থাকার পর চালু হল মিড ডে মিল

শুভজিৎ পন্ডিত, কামাখ্যাগুড়িঃ মাস খানেকের বেশি সময় ধরে স্কুলের মিড ডে মিল বন্ধ থাকায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে শোকজ করলেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক। তবে বুধবার থেকে ফের ওই স্কুলে মিড ডে মিল চালু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের ভল্কার শালবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ৮ মে রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে ওই স্কুলের দুটি শ্রেণী কক্ষ ও মিড ডে মিলের ঘরের চাল ভেঙে যায়। এরপর সেগুলো মেরামতের জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে ব্লক প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদকে লিখিতভাবে জানানো হয়। অভিযোগ, একাধিকবার প্রশাসনের কর্তাদের বিষয়টি নজরে আনা হলেও কোনো কাজ হয়নি। মিড ডে মিলের রান্নার ঘরের চাল না থাকায় বিপাকে পড়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ গত ২১ জুন কুমারগ্রাম ব্লকের বিডিওকে লিখিতভাবে স্কুলের মিড ডে মিল বন্ধ করার কথা জানিয়ে দেয়। কারণ হিসেবে রান্না ঘরের চাল ভেঙে যাওয়ার কথা বলা হয়। এদিকে গত মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। সংসদের সচিব তথা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক মিড ডি মিল বন্ধ থাকার কারণ জানতে চেয়ে শালবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে শোকজ করেছে। ১০ আগষ্টের মধ্যে শোকজের জবাব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে সেভাব মুখ খুলতে চায়নি স্কুলের কেউই।

আলিপুরদুয়ার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান অনুপ চক্রবর্তী জানান, “এভাবে মিড ডে মিল বন্ধ রাখা যায় না। এদিন থেকে মিড ডে মিল চালু করা হয়েছে। মিড ডি বন্ধ রাখার জন্য ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। স্কুলের চাল মেরামতির বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলব”। শালবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাপস দাস জানান, “ঝড়ে স্কুলের চাল ভেঙে যাওয়ায় মিড ডে মিল বন্ধ ছিল। বিষয়টি ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। এদিন থেকে ভগ্ন ঘরেই মিড ডে মিল চালু হয়েছে। প্রশাসনের কাছে ঘর সংস্কারের আবেদন জানান তিনি”। এ বিষয়ে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক নিখিল নির্মল জানান, “স্কুলের মিড ডে মিল কোনোভাবেই বন্ধ রাখা যায়না। এদিন থেকে মিড ডে মিল চালু করা হয়েছে। ঘর সংস্কারের বিষয়টি কুমারগ্রামের বিডিওকে দেখার জন্য বলা হবে”।

খুঁটি পূজা দিয়ে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি সিতাইয়ের পঞ্চানন ক্লাবের

রাজিব বর্মন, সিতাইঃ খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে আসন্ন দুর্গা পূজার প্রস্তুতি শুরু করল সিতায়ের পঞ্চানন সংঘ। আজ ক্লাব ময়দানে এই খুঁটি পূজার উদ্বোধন করেন সিতায়ের বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া। উপস্থিত ছিলেন সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার দাস, আদাবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সংগিতা রায় বসুনিয়া, সিতাই ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূর নাহার বিবি, ক্লাবের সম্পাদক শ্যামল বর্মন সহ আরও আনেকে। এবছর ৪৭তম বর্ষে পড়বে ওই ক্লাবের দুর্গা পূজা।

খুঁটি পূজার পর ক্লাবের সম্পাদক জানিয়েছেন, এবছর গত বছের চেয়ে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলা হবে পূজা মণ্ডপ। আবার গোটা মণ্ডপটি তৈরি হবে বাদামের খোসা দিয়ে।

স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধের দাবিতে ডেপুটেশন তুফানগঞ্জে

তুফানগঞ্জ, ৮ আগস্টঃ স্কুল শিক্ষকদের টিউশন পড়ানো বন্ধের দাবিতে মহকুমা শাসকের দপ্তরে ডেপুটেশন দিল তুফানগঞ্জের প্রাইভেট শিক্ষকরা। বুধবার প্রাইভেট শিক্ষকরা এই দাবিতে ডেপুটেশন দেন। এদিন পশ্চিমবঙ্গ প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

প্রাইভেট শিক্ষকদের অভিযোগ, প্রোজেক্টের নম্বরের ভয় দেখিয়ে কতিপয় স্কুল শিক্ষক অবৈধভাবে টিউশন করাচ্ছেন। অবৈধভাবে টিউশন পড়িয়ে সেই সকল শিক্ষকরা হাজার হাজার টাকা উপার্জন করছে বলে অভিযোগ। অবিলম্বে স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করতে মহকুমা প্রশাসন যাতে ব্যবস্থা নেয়, তার দাবি জানায় প্রাইভেট শিক্ষকরা। এদিনের ডেপুটেশন কর্মসূচিতে তুফানগঞ্জের বহু গৃহ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

জেলা গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের সমাবেশ কোচবিহারের রেডক্রস ভবনে

কোচবিহার, ৮ আগস্টঃ স্থায়ীকরণ ও সুনিশ্চিত কাজের দাবিতে সারা বাংলা গ্রামীণ সম্পদ কর্মী সংগঠনের ডাকে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর কোলকাতা রাণী রাসমনি রোডে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেই সমাবেশকে সার্থক করার লক্ষ্যে আজ কোচবিহার জেলা গ্রামীণ সম্পদ কর্মী সংগঠনের জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল শহরের রেডক্রস সোসাইটির হল ঘরে। কোচবিহার জেলার বারোটি ব্লকের ১২৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে এদিন এই সমাবেশ হয়।

জানা গিয়েছে, বর্তমানে কোচবিহার জেলায় গ্রামীণ সম্পদ কর্মীর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ১২০০ জন। মাধ্যমিকের মেধার ভিত্তিতে এই গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের নিয়োগ করে কোচবিহার জেলা পরিষদ। গ্রাম পঞ্চায়েতের সামাজিক নিরীক্ষার কাজে নিযুক্ত করা হয় এই কর্মীদের। একশোদিনের কাজ সহ (ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়িজ গ্যারান্টি স্কিম) বিধবা ভাতা, প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা সহ একাধিক প্রকল্পের নিরীক্ষার কাজের জন্য এই কর্মীদের কাজে লাগানো হয়। বছরে ১৫ দিন এই কাজ তাদের দ্বারা করানো হয়। এদিনের সমাবেশে একশোদিনের কাজের নিরীক্ষা এবং সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে স্থায়ীকরণ করা এবং নিয়োগ পত্র দেবার দাবি নিয়ে আলোচনা হয়।

কোচবিহার জেলা গ্রামীণ সম্পদ কর্মী সংগঠনের জেলা সম্পাদক প্রভাত বর্মন বলেন, “আগামী ৬ সেপ্টেম্বর কোলকাতা রাণী রাসমনি রোডে গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেই সমাবেশে জেলার গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে সামিল হয়ে আমাদের দাবির কথা তুলে ধরে, তা নিয়েই আজকের সমাবেশ। আমরা যাতে সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারি সেই দাবিতে আমাদের আন্দোলন।”

পরিকাঠামো সমস্যা সহ নানা অভিযোগে অবস্থান বিক্ষোভ তুফানগঞ্জ পলিটেকনিকে

গোপাল সরকার, তুফানগঞ্জঃ পরিকাঠামোগত সমস্যা সহ আরও নানা অভিযোগ তুলে অবস্থান বিক্ষোভে বসল তুফানগঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের পড়ুয়ারা। কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়ন, হোস্টেল সমস্যা সমাধান সহ নানা দাবিতে আজ কলেজের গেটে অবস্থান বিক্ষোভ করে পড়ুয়ারা। ছাত্রদের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাদের যন্ত্রপাতি পাওয়ার কথা। কিন্তু কলেজে ফ্রি প্র্যাকটিস করার মত যন্ত্রপাতি নেই, মাঠ নেই। যে মাঠ রয়েছে তাতে জল জমে আছে। কারিগরি শিক্ষা মানে হাতে কলমে শিক্ষা। কিন্তু এই কলেজে তার ঠিক পরিকাঠামো নেই। প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নেই। দুটি বিভাগের জন্য মাত্র ৩ জন শিক্ষক আছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হওয়ার মত বলেও অভিযোগ ছাত্রদের। তাদের আরও অভিযোগ, “জয়েন্ট ডিরেক্টর এই কলেজ পরিদর্শনে এসে তাদের আশ্বাস দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই আশ্বাস শুধু মুখেই। তাতে চিড়ে ভেজে নাই।” এদিন ছাত্রছাত্রীরা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের থেকে কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ বিভিন্ন দাবি সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাবে।

এই বিষয়ে কলেজের অফিসার ইন চার্জ অনুপম বর্মন বলেন, “কলেজের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের যন্ত্রপাতি প্রয়োজন মত রয়েছে। তৃতীয় বর্ষের কিছু সমস্যা রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তার ব্যবস্থা হচ্ছে। আর হোস্টেল এখনও চালু হয়নি। তার জন্য কুক, সুইপার ও অন্যান্য কর্মীর দরকার রয়েছে। সেই সব দিক ঠিক করে উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমাদের এই কলেজটি নিচু জমিতে। তাই তৈরির সময় মাঠের যেসব জায়গা উঁচু করা হয়েছিল, বাকিটা এমন অবস্থায় রয়েছে। সমস্ত বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। তারা যেভাবে বলবে, সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পেটে ৩টি লোহার রড, চিকিৎসা না করে ফেরাল হাসপাতাল

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৮ আগস্টঃ গুরুতর আহত এক ব্যক্তিকে চিকিৎসা না করিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুটি সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার দক্ষিণ নারায়ণতলায় রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন উদয় সর্দার। ছাদে কাজ করার সময় আচমকা পাশে থাকা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসেন তিনি। শক খেয়ে ছাদ থেকে পড়ে যান উদয়। সেইসময় নিচে পড়ে থাকা তিনটি লোহার রড তাঁর পেটে ঢুকে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ঘুটিয়ারি শরিফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা না করিয়ে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানেও তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

পেটে ঢুকে আছে তিনটি লোহার রড। সেই অবস্থায় চিকিৎসার জন্য এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরছেন ওই ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, উদয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা না করিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন উদয়ের সহকর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, “দু দুটি হাসাপাতালে ঘুরলেও চিকিৎসা শুরুই হয়নি। কোথাও রড বের করা হয়নি”।