এনআরসির প্রতিবাদে কোচবিহারে ধিক্কার সভা তৃনমূল যুবর

কোচবিহার, ১৩ আগস্টঃ অসমের নাগরিক পঞ্জির প্রতিবাদে কোচবিহার শহরে ধিক্কার সভা করল তৃনমূল শহর যুব কংগ্রেস। আজ সান্ধ্যায় শহরের এল দাস মোড়ে এনআরসির বিরুদ্ধে ওই ধিক্কার সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা কোচবিহারের সাংসদ পার্থ প্রতিম রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব নেতা অভিজিৎ দে ভৌমিক, রাকেশ চৌধরী ও অন্যান্যরা।

নাগরিকপঞ্জী, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ সিপিআইয়ের

কোচবিহার, ১৩ আগস্টঃ নাগরিকপঞ্জী, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কোচবিহারে অবস্থান বিক্ষোভ করল সিপিআই। আজ কোচবিহারের সুনীতি রোডের পাশে ব্রাহ্ম মন্দিরের সামনে এই অবস্থান বিক্ষোভ হয়। জেলা সিপিআইয়ের বহু নেতা কর্মী এদিনে অবস্থান বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকপঞ্জী, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জনসাধারণকে সোচ্চার হওয়ার দাবিতে সারা দেশ ব্যাপী অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচী নিয়েছে সিপিআই। ১ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশ ব্যাপী এই কর্মসূচী চলছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এদিন কোচবিহারেও অবস্থান বিক্ষোভে বসেন সিপিআই নেতা কর্মীরা।

জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনায় আহত ১

শামুকতলা, ১৩ আগষ্ট: সোমবার বিকাল ৫ টা নাগাদ পথ দুর্ঘটনায় আহত হন এক বাইক চালক। ঘটনাটি ঘটেছে শামুকতলা থানার চেপানী চৌপথী এলাকায় ৩১ সি জাতীয় সড়কে। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে বাইকটিকে একটি ট্রেকার পিছন দিক থেকে ধাক্কা মারে এবং বাইকসহ চালককে অনেকটা দুর ঠেলে নিয়ে যায়।

এর ফলে গুরুতর জখম হন ওই বাবুল দাস( ৩৮) নামের ওই বাইক চালক। তার বাড়ি মহাকালগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাপসাডাঙ্গা এলাকায়। গুরুতর জখম বাবুল দাসকে প্রথমে কামাখ্যাগুড়ি হাসপাতালে ভর্ত্তি করানো হয়। পরবর্ত্তীতে তাকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্ত্তি করানো হয়েছে। শামুকতলা থানার পুলিশ ট্রেকারটিকে আটক করেছে। চালক পলাতক।

সারাদিনের সেরা খবর – ১৩ আগষ্ট ২০১৮

সারাদিনের বাছাই করা খবর
প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট ভিসিট করুন প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি পাবার জন্য।

স্টেশনের পাশে নালায় মোহনদের দেখতে ভিড় বাণেশ্বরে

বাণেশ্বর (কোচবিহার), ১৩ আগস্টঃ কোচবিহার ২ নং ব্লকের বাণেশ্বর জেলার মানুষের কাছে খুবই পরিচিত। এখানেই আছে বাণেশ্বর শিব মন্দির। কোচবিহার ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা আসেন এই মন্দিরে। শ্রাবণ মাস ধরে এখানে পুজো দেওয়ার জন্য ভক্তদের ঢল নামে। আর এই মন্দিরের পাশেই রয়েছে শিব দিঘি। যেখানে দেখা যায় ‘মোহনদের’। শিব দিঘির কচ্ছপদের মোহন বলা হয়। তার মধ্যে অনেক মোহন আছে যার বয়স আমার আপনার বয়সের দ্বিগুণ বা তিনগুন। বাণেশ্বর সংলগ্ন এলাকাতেও বিভিন্ন পুকুর বা ডোবাতেও মোহনদের দেখা যায়।

আজ শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। গতকাল রাত থেকে আজ সারাদিন ধরে প্রচুর ভক্ত মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। এদিন বাণেশ্বর রেল স্টেশনের পাশে একটি নালাতে হঠাৎ করে ২০-২৫ টি বড় আকারের মোহন দেখা যায়। মোহনদের দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মন্দিরে পুজো দিতে আসা পুণ্যার্থী এবং উৎসাহী মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। অনেকে মোবাইল দিয়ে ছবিও তুলে নেন। স্থানীয়দের অনেকেই বলে, এই নালাতেও মোহন আছে। আশেপাশের ডোবাতেও তাদের দেখা যায়। কিন্তু বাইরে থেকে আসা অনেক পুণ্যার্থী ও সাধারণ মানুষের কথায়, নালাটি পরিছন্ন রাখতে হবে। যাতে এখানকার জল খারাপ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

 

 

 

 

কোচবিহার জেলা পরিষদের সদস্য তথা স্থানীয় বাসিন্দা পরিমল বর্মন বলেন, “বাণেশ্বরের প্রায় সব পুকুরে প্রচুর পরিমাণে মোহন(কচ্ছপ) রয়েছে। শিব দিঘিতে যত মোহন আছে তার চেয়ে বেশি মোহন আশেপাশের পুকুরগুলিতে আছে। ওরা ওদের মত থাকে। কেউ তাদের বিরক্ত করে না।”

শহরে জল সরবরাহের দায়িত্ব গ্রহণ করুক পিএইচই, দাবি কোচবিহারে

কোচবিহার, ১৩ আগস্টঃ পানীয় জল পাম্প অপারেটর কর্মী ইউনিয়ানের পক্ষ থেকে ১২ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হল। আজ সংগঠনের পক্ষ থেকে কোচবিহার ডিভিশনে জেলা নির্বাহী বাস্তুকারকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কোচবিহার শহরের জল সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় যাতে পিএইচই অধিগ্রহণ করে সেই দাবি জানানো হয়।

অভিযোগ, পিএইচই-র থেকে কোচবিহার পুরসভা জল সরবরাহের ভার অধিগ্রহণ করার পর বর্তমানে শহর এলাকায় পানীয় জলের পরিসেবা পাওয়া যাচ্ছে না। শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলের ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে এদিন গ্রামীণ জল সরবরাহ ব্যবস্থা যা গ্রাম পঞ্চায়েতকে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ করে তীব্র সমালোচনা করা হয়। যে কয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকায় জল সরবরাহের ব্যবস্থা হস্তান্তর হয়েছে, সেখানে পানীয় জল ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে বলেও এদিন দাবি করা হয়। একই সঙ্গে পানীয়জল পাম্প কর্মীদের সম কাজে সম বেতনের দাবি সহ মোট ১২ দফা দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের কোচবিহার জেলা সম্পাদক গণেশ নন্দী বলেন, “১২ দফা দাবিতে কোচবিহার ডিভিশনের নির্বাহী বাস্তুকারকে স্মারকলিপি দেওয়া হচ্ছে। কোচবিহার শহরে এখন পানীয়জলের ভীষণ সমস্যা রয়েছে। কোচবিহার পুরসভা পি এইচ ই-র কাছ থেকে জল সরবরাহের দায়িত্ব অধিগ্রহণ করেছিল। কিন্তু এখন পরিসেবা ভালো নেই। কোচবিহার শহরের জল সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় পিএইচই যাতে অধিগ্রহণ করে তার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল দিল্লি পুলিশ

ওয়েব ডেস্ক, ১৩ আগস্টঃ দিল্লির মুখ্যসচিব অংশু প্রকাশকে মারধরের ঘটনায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সহ বেশ কয়েকজন বিধায়কের নামে চার্জশিট পেশ করল পুলিশ। সোমবার ওই চার্জশিট পেশ করে দিল্লি পুলিশ। সোমবার দিল্লি পুলিশ যে চার্জশিট তৈরি করেছে তাঁতে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ শিসোদিয়া এবং ১১ জন বিধায়কের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যা নিয়ে এই মুহুর্তে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে আম আদমি পার্টির সরকার। সোমবার বিকেলে এই খবর সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির মুখ্যসচিব অংশু প্রকাশকে নিজের বাড়িতে বৈঠকে ডাকেন কেজরিওয়াল। সেখানে মন্ত্রিসভা ও দলের অন্যান্য বিধায়করা উপিস্থিতি ছিলেন। অভি‌যোগ, কেজরিওয়ালের উপস্থিতিতে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন আপ বিধায়ক আমানাতুল্লা খান। ওই ঘটনার পর দিল্লিতে ব্যাপক হইচই পড়ে ‌যায়। ওই ঘটনার কয়েকদিন পর পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেন অংশু প্রকাশ। শুধু তাই নয় ওই ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লির সেক্রেটারিয়েট থেকে রাজঘাট প‌র্যন্ত মোমবাতি মিছিল করেন দিল্লির সরকারি আধিকারিকরা। ওই মোমবাতি মিছিলে ‌যোগ দেন কমপক্ষে ৮০০-৯০০ সরকারি কর্মী ও অধিকারিক। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে আপ বিধায়ক আমানুল্লা খান ও প্রকাশ জারওয়ালকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। গত ১৮ মে কেজরিওয়ালকেও ৩ ঘণ্টা জেরা করে পুলিশ। জেরা করা হয় উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াকেও।

প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার ২ অস্ত্র ব্যাবসায়ি

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৩ আগস্টঃ ফের পুলিশের জালে ধরা পড়ল দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী। চার মাস ধরে নজর রাখার পর তাদের গ্রেফতার করে বারুইপুর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। দু’জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। ধৃত ওই দুই অস্ত্র ব্যাবসায়ির নাম রাজেশ শর্মা এবং মোস্তাক আলম। পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে ১০টি ওয়ান সাটার পাইপগান, ৩টি সেভেন এমএমপিস্তল, ৬টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। এছাড়াও নগদ ৩৮,৫০০ টাকা, দু’টো মোটরসাইকেল এবং তিনটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এই দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার হাড়োয়া, কাশিপুর, ভাঙর এবং ক্যানিং এলাকায় অস্ত্র গুলি বিক্রি করত বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অস্ত্র কারখানার খোঁজ শুরু হয়েছে। চলতি বছরেই বারুইপুর স্টেশনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধরা পড়েছিল তিন দুষ্কৃতী। তাদের জেরা করে হাওড়ার ডোমজুড়ে অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছিল বারুইপুর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। গত মাসেই উত্তর শহরতলীর কাঁকিনারার কাছে লাড্ডু কারখানার আড়ালে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বড়সড় কারখানার হদিস পেয়েছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

ফাঁসিদেওয়ায় ভেঙে পড়া উড়ালপুলের নমুনা সংগ্রহ আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের

বিশ্বজিৎ সরকার,দার্জিলিংঃ গত শনিবার গভীর রাতে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তরর্গত ফাঁসিদেওয়ার কান্তিভিটায় অচমাই ভেঙে পড়ে নবনির্মিত উড়ালপুল। ওই উড়ালপুলের ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকে কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো তা খতিয়ে দেখতে রবিবার সকাল থেকেই সরজমিনে খতিয়ে দেখেন এনএএইচআই এর কর্তারা।

এদিন উড়ালপুল পরিদর্শনে আসেন পিডব্লিউডি আধিকারিক ও ডিজাইন ইঞ্জিনিয়াররা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি ভেঙে পড়া উড়ালপুলের কংক্রিটের নমুনা সংগ্রহ করেন তারা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ওই উড়ালপুলের ডিজাইন। যদিও নির্মাণকারী সংস্থা প্রথম দিন থেকেই দাবি করেছেন যে, কোন লড়ি বা কেন্টেনারের ধাক্কা লেগেই উড়ালপুলটি ভেঙে পড়ে। তবে এই কথা মানতে নারাজ স্থানীয়রা।

তাদের দাবি, উড়ালপুলের উচ্চাতার সঙ্গে কখনও লড়ি বা কোন কিছুর ধাক্কা লাগতে পারে। তাহলে কতৃপক্ষ কীভাবে বলেদিল যে কোন লড়ির ধাক্কায় ভেঙেছে। এটা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

সুপারের চিঠি পেয়ে এম জে এনে সাফাই অভিযান কোচবিহার পুরসভার

কোচবিহার, ১৩ আগস্টঃ মহকুমা শাসক ও সুপারের চিঠি পেয়ে কোচবিহার এম জে এন হাসপাতালের নোংরা আবর্জনা সরিয়ে নিতে সাফাই অভিযানে নামল কোচবিহার পুরসভা। চেয়ারম্যানের নির্দেশে পুরসভার উদ্যোগে আজ হাসপাতালের ভিতরে নোংরা আবর্জনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন হাসপাতালের ভিতরে জমে থাকা জঞ্জাল সরানোর জন্য ৪ টি জেসিপি সহ আরও কিছু যানবাহন ও ৩০ জন কর্মীকে কাজে লাগানো হয়। এছাড়া হাসপাতাল থেকেও কিছু কর্মীকে নোংরা পরিষ্কারের কাজে লাগানো হয়। জানা গিয়েছে, পুরসভার তরফে প্রতিদিন হাসপাতালের নোংরা আবর্জনা নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে অনেক নোংরা আবর্জনা জমে যাওয়ায় এবং রোগী ও তাদের পরিজনদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিবে পুরসভা। এখন থেকে সোমবার ও শুক্রবার দুই দিন হাসপাতালে এই ধরণের সাফাই অভিযান চালানো হবে।

কোচবিহার পুরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ রায় বলেন, “এম জে এন হাসপাতালের নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য সুপার এবং মহকুমা শাসক পুরসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছিল। চেয়ারম্যানের নির্দেশে হাসপাতাল আজ থেকে এই সাফাইয়ের কাজ শুরু হল। সপ্তাহে সোম ও শুক্রবার পুরসভার পক্ষ থেকে সাফাই করা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনেক আবর্জনা জমেছে। কোচবিহার সহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও অনেক মানুষ আসে এই হাসপাতালে। রোগী ও রোগীর পরিজনদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার রাখতে হবে। আজকে অনেক আবর্জনা সরানো হল। নোংরা সাফাইয়ের জন্য ৪ টি জেসিপি সহ আরও কিছু যানবাহন লাগানো হয়েছে।”

ভারতের টাকা ছাপানো হয় চিনে! বিস্ফোরক দাবী চিনা সংবাদ মাধ্যমের

ওয়েব ডেস্ক, ১৩ আগস্টঃ ভারতের টাকা ছাপানো বিদেশে! তাও আবার কিনা চিনে। চিনা সংবাদমাধ্যম ‘সাউথ চিনা মর্নিং পোস্ট’ প্রকাশ করেছে এমনই বিস্ফোরক তথ্য। ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, শুধু ভারত নয়, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ব্রাজিল এবং পোল্যান্ডের ব্যাঙ্কনোট ছাপানোর দায়িত্বও পেয়েছে বেজিং। এই বিস্ফোরক খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে। চিনের ওই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসতেই মোদী সরকারের সমালোচনায় নেমে পড়ে বিরোধীরা।

ইতিমধ্যে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর টুইট করে জানিয়েছেন, “এই খবর সত্যি হলে, দেশের নিরাপত্তায় আঘাত আসতে পারে। পাকিস্তানের কাছে যে নোট জাল করা সহজ হয়ে যাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।” তবে, কেন্দ্রের তরফে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, চিনা সংবাদমাধ্যমের দাবি খারিজ করে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সমস্ত নোটই ছাপানো হয় দেশের মাটিতে।

ওই চিনা সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ওবর প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত অধিকাংশ দেশই তাদের ব্যাঙ্কনোট আমদানি করছে চিন থেকে। বেজিং-এর শিচেং-এ চিনা ব্যাঙ্কনোট প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশনের দাবি, এই মুহূর্তে অন্যতম নোট উত্পাদক দেশ চিন। এই সংস্থার ছ’টি শাখায় মোট ১৮ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। সেই তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের টাঁকশালের শ্রমিক সংখ্যা নামমাত্র। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টাঁকশাল ব্রিটেনের দে লা রু-তে ৩১০০ শ্রমিক কাজ করেন বলে দাবি ওই সংবাদমাধ্যমের।

চিনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড (ওবর) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির নোট ছাপাচ্ছে বেজিং। উল্লেখ্য, ওবর প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ভারতও। দক্ষিণ চিন থেকে মায়ানমারকে যুক্ত করতে বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মায়ানমার অর্থনৈতিক করিডর (সিল্ক রোড) তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা জুড়ে কমপক্ষে ৬০টি দেশ যুক্ত রয়েছে এই প্রকল্পে।

ওই প্রতিবেদনে চিনা ব্যাঙ্কনোট প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশনের প্রধান লিউ গুইশেং জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ওবর প্রকল্প শুরু হওয়ার আগে অন্যান্য দেশের নোট ছাপাতো না চিন। কিন্তু এখন এই প্রকল্পের অধিকাংশ দেশের নোটই ছাপাচ্ছে তারা। চিনা সাউথ মর্নিং-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি নেপালের একশো টাকার নোট ছাপানোর দায়িত্ব পেয়েছে বেজিং।

গোল সেভ করতে গিয়ে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা, মৃত যুবক

পূর্ব বর্ধমান, ১৩ আগস্টঃ খেলতে গিয়ে ধাক্কা লেগে মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃত ওই যুবকের নাম রিপন মালি (১৮)। রবিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার নিশ্চিন্তপুর এলাকায়। ওই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে পাড়ার মাঠে একটি ফুটবল প্রতিযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছিল। ওই খেলায় রিপন তাঁর দলের হয়ে গোলকিপিং করছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল মাঠে রিপন খুব ভালো পারফরম্যান্স করে। এরপর গোল সেভ করতে গিয়ে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে তাঁর। ওই ঘটনায় জ্ঞান হারায় রিপন। এরপর স্থানীয় লোকজন ও উদ্যোক্তারা তাঁকে উদ্ধার করে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় মধুপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে তাঁকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই রাতে মৃত্যু হয় তাঁর।

রিপনের বাবা জানান, “রিপনের ধ্যানজ্ঞান ছিল ফুটবল। দিনমজুরের কাজ করে সে সংসারে সাহায্য করত। কিন্তু অবসর পেলেই মাঠে ফুটবল নিয়ে খেলতে নেমে পড়ত। তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশের হয়ে খেলা। কলকাতা, বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া সহ বিভিন্ন জেলায় সে খেলতে চলে যেত। ভালো খেলার জন্য বেশ কিছু পুরস্কারও পেয়েছে সে”।