শ্যালিকার নাবালিকা মেয়েকে পলায়ন, ৪ মাস পর পুনে থেকে গ্রেফতার মেসোমশাই

নদীয়া, ৩০ ডিসেম্বরঃ শ্যালিকার নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে ভিন রাজ্যে পালিয়েও শেষ রক্ষা হল না মেসোমশাইয়ের। পুনে থেকে গ্রেফতার করা হল মেসোমশাই ও দশম শ্রেণীর ওই নাবালিকা ছাত্রীকে। মাস চারেক আগে শ্যালিকার মেয়ের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে ১৫ বছরের নাবালিকাকে ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়েছিল মেশোমশাই। প্রায় চারমাস পর পুণে থেকে নাবালিকার মেশোমশাইকে গ্রেপ্তার করল কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ওই নাবালিকাকেও। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন চারেক আগে কেতুগ্রাম থানা থেকে একটি দল গিয়ে মুম্বই পুলিশের সহায়তায় পুণে থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে। ওই নাবালিকার মেসোমশাই রেজাউল শেখকে(৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে কেতুগ্রামে নিয়ে আসার পর শুক্রবার দুজনকেই আদালতে তোলা হয়। নাবালিকার গোপন জবানবন্দি নিয়েছেন বিচারক।

Top News

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামের খলিপুর গ্রামের বাসিন্দা ১৫ বছরের ওই নাবালিকা কুমোরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ১০ আগষ্ট রাতে ওই নাবালিকা বাথরুমে যাওয়ার নাম করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। ওদিন রাত থেকেই খোঁজাখুজি শুরু করে তার পরিবার। নাবালিকার বাবা পরেরদিন বিষয়টি কেতুগ্রাম থানায় জানান। নাবালিকার বাবা তার ভায়রাভাই রাজখাড়া গ্রামের বাসিন্দা রেজাউলের বিরুদ্ধে মেয়েকে পাচারের অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পরে ১৩ অক্টোবর কাটোয়া আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে মেয়েকে উদ্ধারের আবেদন জানিয়ে মামলা করেন। আদালত কেতুগ্রাম থানাকে নির্দেশ দেয় অবিলম্বে নাবালিকাকে উদ্ধারের জন্য। এরপর আদালতের নির্দেশ পেয়ে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পুণেতে হানা দেয়। সেখানে একটি ভাড়াবাড়ি থেকে রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা হয় নাবালিকাকেও।