এই গরমে সুস্থ থাকতে কি করবেন? জানুন…

             প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বেড়েই চলছে। দেখা নেই বৃষ্টির। জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে অতিষ্ঠ। প্রচণ্ড গরমে শরীরের যেসব সমস্যা হয় তা হচ্ছে অত্যধিক ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রচুর জল ও খনিজ লবণ বের হয়ে যায়। ফলে জলশূন্যতার কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। পাশাপাশি যারা মাঠে কাজ করেন অথবা প্রচণ্ড রোদে বাইরে কাজ করেন তাদের শরীর থেকে খনিজ লবণসহ জল বের হয়ে যায়। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোক হতে পারে। গরমের দিনগুলোতে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। শরীর হয়ে পড়ে কাহিল। এছাড়া গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে যাবার লক্ষণও বেশি দেখা যায়। এ সময় সুস্থ থাকা বেশ দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। আর তাই সুস্থ থাকতে হলে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয় অনেক বেশি। তাই এমন কাঠফাটা গরম থেকে সুস্থ থাকতে জেনে নিন কী করবেন, কী করবেন না…

# গরমের দিনগুলোতে অল্প খাবার খান কিন্তু বারবার খান। এ সময় বেশি খাবার এক সঙ্গে খেলে শরীরের খাদ্য হজম প্রক্রিয়া বাধা সৃষ্টি হতে পারে। অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এ সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে পরিপাকক্রিয়ায় বিপত্তি ঘটতে পাড়ে।

# প্রচণ্ড এই গরমে প্রচুর পরিস্রুত জল খান। শরীর ঘেমে প্রচুর পরিমাণ জল শরীর থেকে বেড়িয়ে যায়। এতে শরীরের জলের ঘাটতি মেটাবে।
# ঠান্ডা জলে ট্যাপের নিচে প্রতি ঘণ্টায় একবার পাঁচ সেকেন্ডের জন্য হাত ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে শিরা-উপশিরায় শীতল অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে এবং শরীর হয়ে ওঠে শীতল।

# ঘুমাতে যাওয়ার আগে সহনীয় পর্যায়ে কুসুম গরম জলে স্নান করে নিতে পারেন। ঠান্ডা জল এক্ষেত্রে আপনাকে প্রলুব্ধ করতে পারে কিন্তু শরীরের হারিয়ে যাওয়া এনার্জি ফিরিয়ে আনতে এটা করা উচিত হবে না।

# পাতলা ও হালকা রঙের সুতি কাপড়ের পোশাক পরুন। কারণ, সিনথেটিক ফাইবারে তাপমাত্রা আটকা পড়ে। অন্যদিকে সুতি কাপড় শরীরের ঘাম শুষে নেয় এবং বায়ু চলাচলের মাধ্যমে শরীর শীতল রাখতে পারে। হালকা রঙ সূর্যের বিকিরণ প্রতিফলিত করে।
#বাইরে বের হওয়ার সময় দরজা-জানালার পর্দা টানিয়ে রাখবেন। এতে করে ঘর উত্তপ্ত হতে পারবে না।

# মেয়েরা শরীরের স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার বজায় রাখতে সকালে ও রাতে অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটা ত্বকের তাপমাত্রা কমিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

# ধীরগতির এবং শ্রমসাধ্য কাজ এড়িয়ে চলুন, যা আপনার শরীরের শক্তিকে উদ্দীপিত করে এবং মূল তাপমাত্রাকে বৃদ্ধি করে। যদি জগিং করতে চান তাহলে দিনের শীতল তাপমাত্রাতেই তা করা উচিত।

# তুলোর বালিশে ঘুমান। এ সময় সিনথেটিক বালিশ পরিহার করাই ভালো।

# গরমের দিনে সুস্থ থাকার আরেকটি বড় উপায় হচ্ছে জীবাণুমুক্ত থাকা। কারণ এসময় বিভিন্নভাবে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। হাত ধোয়া জীবাণুমুক্ত থাকার অন্যতম একটি উপায়। কারণ আমরা নিজের অজান্তে অনেক কিছু ছুঁয়ে ফেলি। দেখা যায় এসব জায়গা থেকে অজান্তেই জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। একাধিক ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার, হাঁচি কিংবা কাশি এসব ক্ষেত্রে জীবাণু বেশি ছড়ায়।তাই এ সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকাটা খুবই জরুরি।

আমাদের খবর টেলিগ্রামে পেতে ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে:  http://t.me/khaboria24
হোয়াটস্যাপে আমাদের সাথে যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করুন:  http://bit.ly/2EOn96o

ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করে লাইক করুন: https://www.facebook.com/khaboria24/