আপনি কি চালকুমড়া খান, জেনে নিন চালকুমড়ার উপকারিতা

চালকুমড়া: চাল কুমড়া খুব পরিচিত একটি সবজী। ঘরের চালে এ সবজি ফলানো হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে চাল কুমড়া শুধু চালে নয় এই সবজি এখন মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভাল হয়। চাল কুমড়া আমরা তরকারি হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস ও কুমড়া বড়ি তৈরি করতেও কাজে লাগে। শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা শাঁক হিসেবে খাওয়া যায়। চাল কুমড়া পুষ্টিকর সবজি এতে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, মিনারেল, শর্করা ও ফাইবার রয়েছে তাই চাল কুমড়ার উপকারিতা অনেক।

চাল কুমড়ার উপকারিতা অনেক:

• এটি যক্ষ্মা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ইনফেকশন বা আলসার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

• এটি রক্ত নালীতে রক্ত চলাচল সহজতর করে।

• চাল কুমড়ার রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়।

• চাল কুমড়া মানসিক রোগীদের জন্য পথ্য হিসেবে কাজ করে, কারন এটি ব্রেইন এর নার্ভ ঠাণ্ডা রাখে।

• চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারি একটি সবজি।

• চাল কুমড়া খেলে হৃদযন্ত্রের পেশি সবল হয়।

• এটি মসলাযুক্ত খাবার বা দীর্ঘদিনের জন্য উপবাসের কারণে পাকস্থলিতে তৈরি হওয়া এসিড দূর করে।

• চাল কুমড়ার সঙ্গে বাসক পাতার রস মিশিয়ে খেলে কাশীর জন্য ভালো ফল পাওয়া যায়।

• চাল কুমড়া রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

• চাল কুমড়া এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট হিসাবে পেট এবং অন্ত্রের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

• পেট ফাঁপার ক্ষেত্রে চাল কুমড়ার রস পেটে মালিশ করলে পেট ফাঁপা দ্রুত কেটে যায়।

• বড়দের পেটে কৃমি হলে চাল কুমড়ার বীজের সাস বেটে খাওয়াতে হয়।

• ভেষজ চিকিৎসকরা যক্ষ্মা রোগিদের ব্যবস্থাপত্রে প্রায়ই চাল কুমড়ার রস উল্লেখ করতেন। তাদের ধারণা ছিল, চাল কুমড়ার মধ্যে রয়েছে রক্ত শোধক উপাদান।

• চাল কুমড়ার রস প্রতিদিন ৪/৫ চা চামচ চিনি ও দুধের সঙ্গে দিয়ে পুরো দিন খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়।

• যক্ষ্মা হয়নি অথচ কাশের সঙ্গে রক্ত বের হচ্ছে, এমন ক্ষেত্রে চাল কুমড়ার রস খেলে ভালো হয়ে যায়। এতে রক্ত বের হওয়া থেমে যায়।

• চাল কুমড়া শরীরের মেদ কমায়। রক্ত নালীতে রক্ত চলাচল সহজতর করে।

• কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং প্রস্রাব কোন কারণে অনিয়মিত হলে চাল কুমড়ার রস কিছুটা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কেটে যায়।

• চাল কুমড়ার বিচি গ্যাস্ট্রিক রোগের উপশম করে।