Be Well

এই সব অভ্যাসে ত্বক নষ্ট করে দিতে পরে !

যতই আপনি আপনার রূপচর্চা বা ত্বকের যত্নের বিষয়ে সাবধান থাকুন না কেন, সাধারণ কিছু অভ্যাসের কারণে নষ্ট হতে পারে ত্বক। চেষ্টা করলে এসব বিষয়ে সাবধান হওয়া যায়। যে সকল অভ্যাসে ত্বক নষ্ট হয় তা নিচে দেওয়া হল-

গরম জল দিয়ে দীর্ঘ সময় স্নানঃ
শীতের দিনে গরম জলে স্নান করার কথা শুনতে প্রশান্তি লাগলেও, প্রতিদিনের এই অভ্যাস কিন্তু আপমার ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। মাঝে মধ্যে গরম জলে স্নান ভালো। তবে তা যদি প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়, তবে তা আপনার ত্বকের বাইরের দিক নষ্ট করে ফেলে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং চামড়ায় জলশূন্যতাও দেখা দিতে পারে। তাই স্নানের জন্য সাধারণ উষ্ণতার জল সব থেকে ভাল।

সাতারঃ
যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন তাদের জন্য দুঃসংবাদ। সুইমিং পুলের জলে থাকা ক্লোরিনের কারণে আপনার ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যেতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্জিও হতে পারে। তাই সাঁতার কাটার আগে ও পরে এসপিএফ ও ভিটামিন ই যুক্ত ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার উচিত।

না খেয়ে থাকাঃ
অনেকেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একবেলা না খেয়ে থাকেন। তবে নিয়মিত খাবারের মধ্যে একবেলা না খেয়ে থাকলে তা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তেমনি খাবার না খেলে ত্বকও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল পায় না। ফলে ত্বকের প্রচুর ক্ষতি হতে পারে।

চুলের প্রসাধনী ত্বকে লেগে গেলেঃ
অনেক সময় অসাবধানবশত চুলের প্রসাধনী ত্বকে লেগে যেতে পারে। স্টাইলিং জেল, কন্ডিশনার, হেয়ার স্প্রে, সেটিং স্প্রে ইত্যাদি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই চুলের প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।

নোংরা সানগ্লাস পরাঃ
সানগ্লাসও প্রায় প্রতিদিন ব্যবহৃত হয় এবং তা নিয়মিত পরিষ্কারের বিষয়ও মাথায় থাকে না। তাই ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ও অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

ঘন ঘন ওয়াক্সিং করাঃ
ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার জন্য ওয়াক্সিং বেশ জনপ্রিয়। তবে ঘন ঘন ওয়াক্সিংয়ের ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া লোমকূপে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত ওয়াক্সিংয়ের ফলে ত্বকের স্বাভাবিক নমনীয়তাও নষ্ট হয়ে যায়।

তির্যকদৃষ্টিঃ
চোখের কোনো রোগ নেই, দৃষ্টিশক্তি ভালো, পড়তে চশমা লাগে না, রোদে সানগ্লাস দরকার হয় না তারপরও বারবার চোখ কুঁচকালে বা তির্যকদৃষ্টিতে তাকালে চক্ষু চিকিৎসক দেখান। এই অভ্যাস দৃষ্টিশক্তির ওপর প্রভাব না ফেললেও চোখের চারপাশে প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।

পরোক্ষ ধূমপানঃ
আপনি ধূমপায়ী নন। তবে ধূমপায়ী সাহচর্যও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

স্ট্র বা পাইপঃ
বিভিন্ন ধরনের পানীয় পান করার জন্য বেশি মাত্রায় স্ট্র ব্যবহার করলে ঠোঁট এবং ঠোঁটের কিনারায় ফাটল ধরতে পারে। মুখের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সরাসরি গ্লাস থেকেই পান করা ভালো।

আমাদের খবর টেলিগ্রামে পেতে ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে:  http://t.me/khaboria24
হোয়াটস্যাপে আমাদের সাথে যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করুন:  https://goo.gl/MF2taz