পুজোর আগে কোচবিহারে বিমান চালুর দাবিতে মন্ত্রীর দ্বারস্থ প্রতিনিধিদল

কোচবিহার, ১৯ জুনঃ পুজোর আগে বিমান পরিসেবা চালুর দাবিতে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষের সঙ্গে দেখা করল কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতির একটি প্রতিনিধিদল। আজ ওই প্রতিনিধি দল উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দ্রুত বিমান পরিসেবা চালুর দাবি জানায়। একই সঙ্গে পুজোর আগে বিমান পরিসেবা চালু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার কথা জানানো হয়েছে জেলা ব্যবসায়ী সমিতির ওই প্রতিনিধি দলের তরফে।

Top News

এদিন ওই প্রতিনিধি দলে থাকা জেলা ব্যবসায়ী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রাজেন বৈদ বলেন, “বাগডোগরার আগে থেকেই কোচবিহারের এয়ারপোর্ট চলত। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলা, ধুবরি সহ অনেক যাত্রী রয়েছে। তা সত্ত্বেও এখানে প্লেন চালানো হচ্ছে না। অন্য জায়গায় নতুন নতুন এয়ারপোর্ট হচ্ছে। আর কোচবিহারে তৈরি এয়ারপোর্টে প্লেন চালানো হচ্ছে না। এখানে প্লেন চালু হচ্ছে, আবার বন্ধ হচ্ছে। কথা দিচ্ছে। চালু হচ্ছে না। কোচবিহার জেলায় এটা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এখানে ধনী লোক বা ব্যবসায়ীরা শুধু যাবেন তা নয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, ডাক্তার আছে। তারা প্রত্যেকে প্লেন ছাড়া এখানে আসছে না। সবাই শিলিগুড়িতে এসে ঘুরে চলে যাচ্ছে। অথচ এখানে সব ব্যবস্থা আছে। আজকে শেষবারের জন্য আমরা বিষয়টি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীকেব জানালাম। অপেক্ষা করতে করতে আমরা অধৈর্য হয়ে গেছি। পুজোর আগে বিমান পরিসেবা চালু করতে হবে। তা না হলে এয়ারপোর্টে গিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ হবে। সেই সাথে জেলা শাসক ও মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ দেখানো হবে।”

এই প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষ বলেন, “কোচবিহার-কলকাতা বিমান চালুর বিষয়ে রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ আমাদের দপ্তরের আধিকারিকরা প্রায় ৩ বার টেন্ডার ডাকার পরেও কোন ভালো বিমান সংস্থা উৎসাহ দেখায়নি। এই কারণেই রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও বিমানের অভাবে এই মুহূর্তে এয়ারপোর্ট চালু করা যাচ্ছে না। তবে মুখ্যমন্ত্রী, পরিবহণমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে লেগে রয়েছেন। ভালো কোন সংস্থা যদি এগিয়ে আসে তাহলে দ্রুত এখান থেকে বিমান পরিসেবা শুরু করা যেতে পারে। আমি আশা করছি পুজোর আগেই কোচবিহার-কলকাতা এবং কলকাতা- কোচবিহার বিমান চলাচল চালু করা যাবে।”