বৃষ্টিতে বেহাল রাসমেলা মাঠ, পাম্প দিয়ে জল সরাল পুরসভা

চন্দন দাস, ৩০ অক্টোবর: ৩ নভেম্বর থেকে রাসমেলা শুরু হবে। তার আগে গতকাল রাতের বৃষ্টিতে কোচবিহারের রাসমেলা মাঠের বিভিন্ন জায়গায় জল জমে গিয়েছে। কাদাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাঠের জল ও কাদা সরাতে উদ্যোগ নিল পুরসভা। সকাল সকাল যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে মাঠ থেকে জল সরানোর কাজে লেগে পড়েন পুর কর্মীরা। পাম্পের সাহায্যে সকার মেশিন দিয়ে জল সরানোর কাজ করা হয়। এছাড়া মগ, বালতি ইত্যাদির সাহায্যও নেওয়া হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই ভাবে কাজ করে মাঠের পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক করে তোলেন পুর কর্মীরা।

Top News

এদিকে আজ সকাল সাড়ে নটা নাগাদ ফের মুশল ধারে বৃষ্টি নামে। এরফলে আবার মাঠে জল জমে যায়। পুরসভার চেয়ার ম্যান ভূষণ সিং এর নির্দেশে পুনরায় জল কাদা সরাতে মাঠে হাজির হয় পুর কর্মীরা। পাম্পের সাহায্যে জল বের করার কাজ শুরু করে। এরপর দুপুর দেড়টা নাগাদ রাসমেলা মাঠের পরিস্থিতি সরজমিনে দেখতে আসেন চেয়ার ম্যান ভূষণ সিং। তার সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন কাউন্সিলর। মাঠের জল নিষ্কাশনে কর্মরত পুর কর্মীদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিন দিন পরেই রাসমেলা শুরু হচ্ছে। জানা যাচ্ছে এবার যাতে প্রথম দিন থেকেই রাসমেলা মাঠে মেলার সব দোকানপাঠ বসতে পারে তার জন্য তৎপর পুরসভা। তাই প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই মাঠ ঠিক করার কাজ শুরু করেছে পুরসভা। জেসিপি মেশিনের সাহায্যে মাঠ ঠিক করা হচ্ছে। রাবিশ, ভরাট ইত্যাদি দিয়ে ছোটখাট গর্ত ভরাট করে সমান করার কাজ চলছে। এরই মধ্যে বাঁধ সাধল বৃষ্টি। তবে পুরসভা মাঠ ঠিক করে সময় মত মেলা শুরু করতে তৎপর।

পুর কর্মী বিশ্বজিৎ বাবু বলেন, “ গতকাল রাতের বৃষ্টিতে কোচবিহারের রাসমেলা মাঠের বিভিন্ন জায়গায় জল জমে গিয়েছে। কাদাও রয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে মাঠ থেকে জল সরানোর কাজ করছেন পুর কর্মীরা। পাম্পের সাহায্যে সকার মেশিন দিয়ে জল সরানোর কাজ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের উপর কাররই হাত নেই। তবে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের যাতে কোন রকম অসুবিধে না হয় সেটাই পুরসভার লক্ষ্য।”