ভিডিও পোস্টে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ কোচবিহারের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে, থানায় অভিযোগ

কোচবিহার, ১৯ ফেব্রুয়ারী: এক শিক্ষকের ভিডিও পোস্ট কে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আজ বিকালে কোচবিহার কোতয়ালি থানায় ওই শিক্ষক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক ছাত্র। ওই ছাত্রের অভিযোগ, ওই ভিডিওতে শিক্ষক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে অপমান জনক মন্তব্য করেছেন। পাশপাশি দেশের লোক হয়ে দেশের লোকের প্রতি বিদ্দ্বেষ ছড়িয়েছেন। এতে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করে তৃনমুল ছাত্র পরিষদের ওই ছাত্র পুলিশের দারস্থ হয়েছেন।

Top News

যদিও অভিযুক্ত কোচবিহার গুঞ্জবাড়ি এলাকার ওই শিক্ষক সুমন কর্মকার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক প্রধান। তার সমালোচনা করার অধিকার সকলেরই আছে। তবে তা শালিনতা বজায় রেখে।আমার ভিডিও কোথাও শালিনতা অতিক্রম করেছে বলে মনে হয় না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনিষ্ট করার যে অভিযোগ করা হয়েছে । দেশে যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাতে সকলেই পাকিস্তানের ওপর ক্ষুব্ধ। এর মধ্যে ধর্ম জড়ানোর কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।” অভিযোগকারী ছাত্র উজ্জ্বল রায় বলেন, “পেশায় শিক্ষক সুমন কর্মকার আর এস এস কর্মী। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেমন অশালীন মন্তব্য করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়েছেন,তেমনি সেই ভিডিওতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনিষ্ট করার মতো বক্তব্য রেখেছেন। তাই পুলিশের অভিযোগ জানিয়েছি। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে,তার দাবি জানাচ্ছি।

গতকাল মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলওয়ামা কান্ডের পর বিজেপি আর এস এস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন। এরকম চেষ্টা হলে শুভ বুদ্ধি মানুষ,রাজনৈতিক দল,ক্লাব,স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রুখে দাঁড়ানোর জন্যে আবেদন জানান।পাশাপাশি পুলিশ কে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।এরপরেই এদিন ওই শিক্ষক একটি সংবাদ পত্র হাতে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তির্যক ভাবে ব্যাখ্যা করেন বলে অভিযোগ।পাশপাশি আরও অভিযোগ সংবাদকর্মী কে ঘুরিয়ে নিগ্রহ করার জন্য উস্কানো হয়েছে। কাশ্মীর থেকে আসা বস্ত্র ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার জন্যে উস্কানো হয়েছে বলে তৃনমুল ছাত্র পরিষদের ওই কর্মীর অভিজগ।পুলিশ ওই অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।