মাথাভাঙ্গায় নদী থেকে উদ্ধার হাত-পা বাধা মহিলার অর্ধ নগ্ন দেহ

কাজল রায়, মাথাভাঙ্গাঃ হাত পা বাধা মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ নদী থেকে উদ্ধার হল মাথাভাঙ্গায়। আজ সকালে মাথাভাঙ্গা ২ নং ব্লকের পাড়াডুবি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দোলং নদী থেকে উদ্ধার হয় ওই মহিলার হাত পা বাধা অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত ওই মহিলার নাম জোস্না সরকার(৪৫)। তাঁর বাড়ি মাথাভাঙ্গার পাড়াডুবি গ্রাম এলাকার ভেরভেরি-মানাবাড়ি এলাকায়। মনে করা হচ্ছে ওই মহিলাকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে খুন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। নদীর চর থেকে হাতের ভাঙ্গা শাঁখা ও একটি ছোট লাঠি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Top News

ওই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মাথাভাঙ্গার এসডিপিও শুভেন্দু মণ্ডল, আইসি প্রদিপ সরকার সহ মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে এলাকার বাসিন্দারা পুলিস কুকুর না নিয়ে আসা পর্যন্ত দেহ নিয়ে যাওয়া যাবে না বলে দাবী জানাতে থাকেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী মেনে ঘটনাস্থলে পুলিশ কুকুর নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সকালে মাথাভাঙ্গার কলকনাথের মেলায় কলা বিক্রি করতে যান ওই মহিলা। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। আজ সকালে বাড়ির আদুরে দোলং নদীতে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি দেহ ভাসতে দেখেন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিসে খবর দিলে পুলিশ এসে দেহটি নদীর চরে নিয়ে আসলে দেখা যায় ওই মহিলার হাত পা বাধা রয়েছে। শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে বলে স্থানিয়রা জানিয়েছেন। মৃতের মেয়ে কামনা সরকার জানিয়েছে, মা সকালে মেলায় কলা বিক্রি করতে গিয়েছিল। রাতে আর ফেরেনি। আজ সকালে নদীতে দেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ছুটে আসি। এসে দখি মায়ের হাত ও পা বাধা দেহ উদ্ধার হয়েছে। কেউ আমার মাকে হাত পা বেঁধে খুন করে নদীতে ফেলে দিয়েছে। যারা আমার মাকে খুন করেছে তাঁদের কঠোর শাস্তি চাই। দোষীদের শাস্তির দাবীতে স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিসের সামনে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।