বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫, আতঙ্ক এলাকায়

বিশ্বজিৎ মণ্ডল, মালদাঃ বজ্রপাতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫ জনের। তার মধ্যে এক কিশোরীও রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। মালদার গাজোল ব্লক ও মানিকচকে পৃথক দুই জায়গায় এই ঘটানা ঘটে। ওই ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

Top News

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজোল ব্লকেই পৃথকভাবে ৪ জন ও মানিকচকে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন ১০ জন। মৃতরা হলেন সায়েম আলি(‌২৭)‌, যোহন সরেণ(‌৫৫)‌, শান্তি সাউরিয়া (‌৫৫)‌ ও তালাময়ী চঁড়ে(‌৩৫)‌। মানিকচকে মৃত কিশোরীর নাম সুবি খাতুন(‌১২)‌। জানা গেছে, এদিন দুপুর থেকে বজ্র বিদ্যুৎ-‌সহ মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। ওই সময় গাছ থেকে আম পারছিলেন বৈরগাছি-‌২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বানিয়াগ্রামের বাসিন্দা সায়েম আলি। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্ত্রী রাশেদা বিবি। ওই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন সায়েম। জখম হন স্ত্রীও। তাঁদের হাতিমারি ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা সায়েমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, করকচ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাগমারিডাঙ্গাতে বাজে মৃত্যু হয় শান্তি শাউরিয়া ও তালাময়ী চঁড়ের। তাঁরা ভুট্টার ক্ষেতে কাজ করছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও খেত মজুর ছিলেন। আচমকা বজ্র-‌বিদ্যুৎ-‌সহ বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা একটি ছাউনির মধ্যে গিয়ে দাঁড়ান। সেই সময় বাজ পড়লে শান্তি ও তালাময়ীর মৃত্যু হয়। শান্তির বাড়ি সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের খেজুরডাঙ্গি গ্রামে। এবং তালাময়ীর বাড়ি নিত্যানন্দপুরে। আহত হয়েছেন এক মহিলা। তিনি গাজোল গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরেক মৃত যোহন সরেণের বাড়ি পান্ডুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ধামুয়া গ্রামে। তিনি ঘটনার সময় নিজের টিনের ছাউনির বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ওই সময় বাজ পড়লে তিনি জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হারিমারি ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানান। বাকি জখমরা গাজোলের বিভিন্ন এলাকার। এদিকে,মৃত কিশোরী সুবি খাতুনের বাড়ি মানিকচক থানার নুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ওই ঘটনায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।