পুকুর থেকে উদ্ধার গৃহবধূর দেহ, চাঞ্চল্য

রায়গঞ্জ, ২ নভেম্বর: পুকুর থেকে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আজ রায়গঞ্জ থানার বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তরা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটেছে। মৃতা গৃহবধূর নাম মমতা খাতুন। তাঁর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে খুন করে পুকুরে ফেলে দিয়ে দিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা। ওই ঘটনা নিয়ে গৃহবধূর স্বামী, শ্বাশুড়ী, ভাসুর, জা সহ সাতজনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন মৃতার বাবা আবদুল লতিফ। বিন্দোল গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তরা গ্রামের বাসিন্দা মমতা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়েছিল কর্নজোরা পিরোজপুরের বাসিন্দা মহিমুদ্দিন শেখের। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মাঝে মধ্যেই স্ত্রী মমতাকে বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলত স্বামী মহিমুদ্দিন। টাকা না আনতে পারলেই মমতার উপর শারীরিক নির্যাত্ন চালাতো স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। মৃতা গৃহবধূ মমতার দাদা গোলাম রব্বানী বলেন, ” গত ২৬ অক্টোবর বোন বাড়িতে এসেছিল, বাবা তার হাতে কিছু টাকাও তুলে দেয়। সেদিনই সে শ্বশুরবাড়ি চলে যায়। আজ সকালে আমাদের গ্রামের কিছু লোক আমাকে জানায় আমার বোন মমতার মৃতদেহ বিন্দোল এলাকার একটি পুকুরে ভাসছে। আমি ও বাড়ির লোক গিয়ে দেখি বোনের পচাগলা মৃতদেহ ভাসছে পুকুরে। আমরা নিশ্চিত অকে খুন করে পুকুরে ফেলে দিয়েছে ওর শ্বশুর বাড়ির লোকরা।”