দলীয় নেতা পেটানোয় ধৃত দুই অভিযুক্তকে ছাড়াতে থানায় হাজির তৃণমূল সাংসদ

জলপাইগুড়ি, ১১ জানুয়ারি: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে যুব সাংগঠনিক সম্পাদক কৌস্তভ তলাপাত্রের নাক ফাটার জেরে ধৃত মজনু আলি ও জাহাঙ্গীর আলম নামে তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করেন একটি গোষ্ঠীর নেতা এবং কর্মীরা। গোষ্ঠী সংঘর্ষ মেটাতে থানায় হাজির হন সাংসদ বিজয় চন্দ বর্মন। এরপর কয়েক ঘন্টা ধরে সাংসদ, পুলিশ ও কৃষ্ণ দাস থানায় বৈঠক করেন। এদিকে কৃষ্ণ দাসের অনুগামীরা ধৃত যুবকদের ছাড়াতে আন্দোলন শুরু করে থানা। অবশেষে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে তাঁদের দাবি মেনে পুলিশ ভ্যানের বদলে একটি গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে যায়। আদালতে এদিন বিকেলে অভিযুক্ত দু’জন জামিন পেয়ে যান।

Top News

পরে বিজয়চন্দ্র বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, “যাদের ধরে আনা হয়েছে তারা প্রকৃত দোষী নয়”। কৃষ্ণ দাস বলেন, “জলপাইগুড়িতে যাতে শান্তি বজায় থাকে সেটা জানাতেই আমরা থানায় এসেছি। থানার আইসি সাহেবের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট”। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে তাঁদের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। সম্পূর্ণ এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদের প্রেক্ষাগৃহে কিষান খেতমজুর সভার রাজ্য সম্পাদক বেচারাম মান্নার সভা ছিল। ওই দিন জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদ চত্বরে জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস ও তার অনুগামীর সঙ্গে যুব সাংগঠনিক সম্পাদক কৌস্তভ তলাপাত্রের বিবাদ বাধে। অভিযোগ, কৌস্তভকে পুরোন বিবাদ ও বুধবারের সভাতে আসা গাড়িকে কেন্দ্র করে মারধর করা হয়। মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়া ও অভিযোগ পেয়ে অবশেষে পুলিশ বুধবার রাতে কৃষ্ণ দাসের দুই অনুগামী জাহাঙ্গির আলম এবং মজনু মহম্মদকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কৃষ্ণ দাসের আনুগামীরা বৃহস্পতিবার সকালে দলে দলে থানায় চলে আসেন। পরে ওই দুজনকে আদালতে তোলা হলে বিকেলেই তারা জামিন পেয়ে যান।