সরস্বতী পুজায় পরতে পারেনি পছন্দের শাড়ি, বোনের উপর রাগ করে আত্মঘাতী স্কুল ছাত্রী

বিশ্বজিৎ মণ্ডল, মালদাঃ সরস্বতী পুজো উপলক্ষে একটি শাড়ি নিয়ে দুই বোনের বিবাদ। পছন্দের শাড়ি পড়তে না পারায় বোনের উপর অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হল এক নবম শ্রেনীর ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার যদুপুর-২ নম্বর পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামে। পরে ঘর থেকে তাকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।

Top News

পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, মৃত ওই স্কুল ছাত্রীর নাম হাসি মন্ডল (১৫)। তার বাড়ি ইংরেজবাজার থানার যদুপুর দুই নম্বর পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামে। হাসি মন্ডলরা পাঁচ ভাই বোন। বোনেদের মধ্যে হাসি সব থেকে বড়। তার দুই বন জমজ ও আর এক ছোট বোন রয়েছে। স্থানীয় জহুরাতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ত হাসি মন্ডল।

জানা গিয়েছে, একটি শাড়ি জমজ দুই বোন পড়তে চায়। এই নিয়ে জমজ দুই বোনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। তাদের বিবাদ থামাতে মা কানন্দী মন্ডল দুই বোনকে বকাবকি করে। এমনকি তাদের শাড়ি কিনে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। দুপুরে দুই বোন স্কুলের পুজো দেখতে যায়। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে। সন্ধ্যায় মা কানন্দী মন্ডল তাদের জন্য শাড়ি কিনতে বাজার যায়। সেই সময় তিন বোন মিলে ঘরে পড়তে বসে। একটি ঘরে দুই বোনকে পড়তে বলে পাশের ঘরে যায় হাসি। রাত আটটা নাগাদ তাদের দাদা কাজ থেকে বাড়ি ফিরে। ঘর বন্ধ দেখে খোলার চেষ্টা করে। কিন্তু ভেতর আটকে দিয়েছে হাসি। বাইরে জানালা দিয়ে দেখে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত আবস্থায় বোন হাসিকে। দরজা ভেঙে তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে মালদা মেডিকেলে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।