বিপক্ষ ক্রিকেটারকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের জের, নির্বাসিত পাক অধিনায়ক

ওয়েব ডেস্ক, ২৭ জানুয়ারিঃ বিপক্ষ ক্রিকেটারকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের জের। পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে চার ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করল আইসিসি। অ্যান্টি রেসিসিম কোড লঙ্ঘন করায় ৭.৩ ধারায় রবিবার পাক দলনায়ককে দোষী সাব্যস্ত করে ক্রিকেটের গভর্নিং বডি। সাসপেন্ড হওয়ায় চলতি ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই আসন্ন টি-২০ সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না সরফরাজ।

Top News

আইসিসির তরফে জানানো হয়েছে, আইসিসির বর্ণবিদ্বেষবিরোধী আইনের ৭.৩ নং ধারা অনুযায়ী, সরফরাজকে একটি শিক্ষামূলক পাঠক্রমে অংশ নিতে হবে। যাতে বর্ণবিদ্বেষ সম্পর্কে তাঁর সচেতনতা বাড়ে। আইসিসি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবে কবে বা কোথায় ওই পাঠক্রমের আয়োজন করা হবে।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডে চলাকালীন আন্ডিল ফেলুকাওকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করে বসেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ৮০ রানে ৫ উইকেট হারায়। এরপর বিপর্যয়ের রেশ কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে ফেরান ফেলুকাও। ৩৭তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে ফেলুকাও সিঙ্গল নেওয়ার সময় তাঁকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করে বসেন পাক অধিনায়ক। স্টাম্প মাইক্রোফোনে যা ধরা পড়েছে। ফেলুকাওর উদ্দেশে সরফরাজ বলেন, “শোন ফেলুকাও তোর গায়ের রং কালো। তোর মা গ্যালারির কোথায় বসেছে? তোকে কী এমন পরিয়ে পাঠিয়েছে যে এ রকম খেলছিস?” সরফরাজের ওই মন্তব্যের পর স্বভাবতই ক্রিকেটবিশ্বে ঝড় ওঠে। সরফরাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতার জানিয়ে দেন ফেলুকাওর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত পাক অধিনায়কের। এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে আইসিসি। তদন্ত শেষে রবিবার কঠিন শাস্তির কথা জানিয়ে দেয় আইসিসি।