আমি কোনও সেলিব্রিটি নই, একজন সাধারণ মেয়ে, বললেন নেট দুনিয়ার নতুন সেনসেশন ‘আরসিবি ফ্যান গার্ল’

ওয়েব ডেস্ক, ১৪ মেঃ খ্যাতির বিড়ম্বনা বোধ হয় একেই বলে।নেট দুনিয়ার নতুন সেনসেশন দীপিকা ঘোষ যেন তারই খেসারত দিচ্ছে।একদিকে যেমন তিনি অনেকের কাছেই  ‘ন্যাশনাল ক্রাশ’ হয়েছেন, তেমনি অনেকেই তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণও করতে ছারছেনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকম কু-মন্তব্যে ভরে যাচ্ছে তার ইনবক্স। এমনকি ট্রলও হতে হচ্ছে তাকে। তাই আইপিএল শেষ হতেই এবার মুখ খুললেন ‘আরসিবি ফ্যান গার্ল’ দীপিকা ঘোষ। মনে আছে নিশ্চয়ই, ৪ মে বেঙ্গালুরু বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচে নজর কেড়েছিলেন লাল অফ সোলডার টপ পরা গ্যালারির সেই সুন্দরী। মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে পড়ে সেই ছবি। হু হু করে বাড়তে থাকে ফ্যান ফলোয়ার।

Top News

 

হটাত করে লাইমলাইটে আসা সেই ভাইরাল দীপিকা ঘোষের ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা হয়তো লক্ষাধিক ছাড়িয়ে গিয়েছে। রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে যাওয়া দীপিকার বক্তব্য, তিনি বিখ্যাত হতে চাননি। তাই শেষ পর্যন্ত একপ্রকার বিরক্ত হয়েই ইনস্টাগ্রামে যেন খোলা চিঠি লিখলেন ভক্তদের উদ্দেশ্যে।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লেখেন, আমার নাম দীপিকা ঘোষ এবং আমার সম্পর্কে যে সমস্ত কথা বলা হচ্ছে তার মধ্যে হয়তো এই একটাই তথ্য ১০০ শতাংশ সত্য।

 

এটা শুরু হয়েছিল সেই শনিবার রাত থেকে। আরসিবি-এসআরএইচ ম্যাচ থেকে। আমি তো আরসিবির ম্যাচ বহু বছর ধরেই দেখতে যাই। আমাদের বেঙ্গালুরু দলকে সমর্থন করার, তাদের জন্য মাঠে গিয়ে গলা ফাটানোটা আমাদের ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন। যখন ৪ তারিখ আমরা ম্যাচটা দেখতে যাই, সেটা অন্য ম্যাচের থেকে আলাদা কিছু হবে সেটা কখনই ভাবিনি। আমি কোনও পরিচিতি চাই না। এবং আমার দিকে কতবার গ্যালারিতে ওই দিন ক্যামেরা ফোকাস করা হয়েছে সে নিয়েও আমি ভাবিনি।

আমি কোনও সেলিব্রিটি নই, একজন সাধারণ মেয়ে। যে কিনা ম্যাচটা উপভোগ করতে গিয়েছিল। টিভি ক্যামেরায় কোনও রকম দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আমি কিছু করিনি। যে ভাবে আমাকে নিয়ে চর্চা চলছে, সেটা খুবই দুঃখজনক।

আমার জীবনে কোনও কিছুই বদলে যায়নি। যেটা বদলেছে সেটা হল ইনস্টাগ্রামে আমার ফলোয়ারের সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে আমি রীতিমতো বিস্মিত!

 

এতো মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। কিন্তু, আমাকে নিয়ে চর্চা বন্ধ করুন। আমি বিরক্ত হয়ে পড়েছি। গত দশ দিনে তাঁর জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।

সারা রাত ধরে আমার ইনবক্সে অত্যন্ত কুরুচিকর মেসেজ আসতে থাকে। আমি আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি এই দেখে যে, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে লোকজন আমার থেকেও বেশি জানে। আমি শুধু আরসিবি গার্ল নই, এর পরেও আমার স্বকীয়তা কিছু আছে। আমার একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে।