‘সুপ্রিম’ কোর্টে জয়, ১২ সপ্তাহের মধ্যেই নিয়োগ ৮০০ শিক্ষক

ওয়েব ডেস্ক, ২৪ জানুয়ারিঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলায় নতুন রায় সুপ্রিম কোর্টের। ২০০৪, ২০০৫-এর সংশাপত্রের বৈধতা দিলো শীর্ষ আদালত। ১২ সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকের ৮০০ শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ করতে হবে মামলাকারীদের, বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিল আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে স্বভাবতই জয় মিলল আবেদনকারী চাকরিপ্রার্থীদের।

Top News

প্রসঙ্গত,  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ২০০১ নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদগুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করত। ২০০৬ সালে সেই আইন অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হয়।  পিটিটিআই প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণহীনরাও এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। তবে ওই  বছরই পিটিটিআই ট্রেনিং নেওয়া পড়ুয়াদের অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া যাবে না বলে  রাজ্যসরকার নির্দেশ দেয়। রাজ্য সরকারের আনা এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দারস্থ হন পড়ুয়ারা। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় পড়ুয়াদের শংসাপত্র বৈধ এবং তাঁদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিতেই হবে। এরপর ফের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দারস্থ হয় রাজ্য।

তবে মামলা চলাকালীন মাঝপথেই ২০১৫ সালে হঠাৎ করেই রাজ্য এই মামলা থেকে সরে আসে। ফলে তখন হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকে। তবে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী চাকরিপ্রার্থীরা চাকরির আবেদন করলে সেই আবেদন নাকচ করে দেয় রাজ্য। এর প্রতিবাদে ফের হাইকোর্টের দারস্থ হন চাকরিপ্রার্থীরা। বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন, অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিয়ে তিন মাসের মধ্য চাকরি দিতেই হবে মামলাকারীদের। ২০১৫ সালে সেই নির্দেশ অবশ্য খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফের শীর্ষ আদালতের দারস্থ হন পড়ুয়ারা। এরপর দীর্ঘ শুনানির পর অবশেষে সেই মামলায় জয় মিলল চাকরিপ্রার্থীদের।