ভোটের মুখে অস্ত্র কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ৩

ওয়েব ডেস্ক, ৫ এপ্রিলঃ ভোটের মুখে রাজারহাটের নারায়নপুরে দ্রোণনগর নামে একটি এলাকায় ওই অস্ত্র কারখানার হদিশ মেলে। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিসের এসটিএফ এবং নারায়ণপুর থানার পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দফায় দফায় তল্লাশি চালানো হয় ছোট গাঁথি ও দোনগর এলাকায়। ছোট গাঁথির গাজী পাড়া এবং দোনগরে লেদ কারখানার আড়ালেই চলছিল অস্ত্র কারখানা। গ্রেফতার করা হয় তিন দুষ্কৃতীকে।

Top News

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদকস এবং টারজান নামে দুই দুষ্কৃতীকে এদিন কলকাতা থেকে গ্রেফতার হয়। ধৃত ওই দুই দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে নারায়নপুরের দোনগরের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৩০টি  আগ্নেয়াস্ত্র। যার মধ্যে রয়েছে ৭ এমএম এবং ৯ এম এম পিস্তল। ধৃত দুই দুষ্কৃতীকে আরও জেরা করতেই উঠে আসে মুন্নার নাম।

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মুন্নার শ্বশুরবাড়িতে চলা বেআইনি অস্ত্র কারখানার কথা। সেই মত এদিন রাজারহাটের ছোট গাঁথির বাড়িতেও তল্লাসি চালায় এসটিএফ। উদ্ধার হয় অসমাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র। এই দিনের এই অভিযানে দুটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে সবমিলিয়ে ৬০টি অসমাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।প্রাথমিক জেরায় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন মুঙ্গের থেকে নিয়ে আসা দক্ষ লেবার অর্থা‍ৎ মেকানিক দিয়ে অস্ত্র তৈরির কাজ চালানো হত। মুন্নার শ্বশুরবাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির নানান যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে লেদ মেশিন, মিলিঙ্গ মেশিন, ড্রিলিং মেশিনও। গ্রেফতার করা হয় আলি হোসেন ওরফে মুন্নাকে।

এই বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি হওয়ার পরে সেগুলোকে কোথায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল, কারাই বা অর্ডার দিয়েছিল এই আগ্নেয়াস্ত্রের? কোনও বিশেষ কনসাইনমেন্ট ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছেন এসটিএফের গোয়েন্দারা। ধৃতদের শুক্রবার আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে চাইবে এসটিএফ।