শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনিদিষ্টকালের ধর্ণায় সপ্তমদিন পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে আহত ১০

কলকাতা, ৭ মার্চঃ শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজাররা অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্ণায় আজ সপ্তমদিন। সেই সপ্তম দিনে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ল শিক্ষকরা। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পক্ষের প্রায় ১০জন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মোতায়েন করা হয়েছে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷

Top News

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সল্টলেক বিধান মূর্তির সামনে থেকে প্রায় হাজার খানেক শিক্ষক শিক্ষিকা মিছিল করে বিকাশ ভবনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ তখন পুলিশ ব্যারিকেড করে আটকায়৷ শুরু হয় পুলিশ শিক্ষক ধস্তাধস্তি৷ সেই সময় মহিলা পুলিশসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হন৷ শিক্ষক সংগঠনের দাবি তাদেরও পাঁচজন আহত হয়েছেন৷ এরপর আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন৷

প্রসঙ্গত, ওয়েস্ট বেঙ্গল তূণমুল এসএসকে, এমএসকে টিচার্স অ্যান্ড এএস ঐক্য মঞ্চের ডাকে বিভিন্ন দাবিতে ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ধর্না৷ সেদিন থেকে সল্টলেকের বিধান মূর্তির পাদদেশে কয়েক শত শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজাররা অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্ণায় বসেছেন৷ প্রথমে আন্দোলনকারীরা করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কের সামনে রাস্তার ওপরই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন৷ পরে পুলিশ সেখান থেকে তাদের তুলে দেয়৷ এরপরই আন্দোলকারীরা বিধান মূর্তির পাদদেশে ধর্ণায় বসেন৷

তাদের দাবি, ২০১৩ সালের মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত অনুসারে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রকে প্রাথমিক ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অধীনে অনুমোদন দিতে হবে৷ এবং শিক্ষাদপ্তরকে পুরোপুরি দায়িত্ব তুলে নিতে হবে৷ সমগ্র শিক্ষা অভিযানের নিয়ম অনুযায়ী শিশু শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজারদের ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করতে হবে এবং বেতন পরিকাঠামো চালু করতে হবে৷ শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজারদের পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে৷ এসএসকে, এমএস গুলিকে নবম ও দশম শ্রেণী খোলার ব্যবস্থা করতে হবে৷ এছাড়া সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়োগের অনুমোদন কর্মসংস্থান পরিচয়পত্র দিতে হবে৷ অবিলম্বে শূণ্যপদে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে৷